মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
Single Top Banner

মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দরের জেটি ও টার্মিনাল নির্মাণকাজ শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক :

চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার এক বছর পর অবশেষে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দরের জেটি ও টার্মিনাল নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে।

রোববার (৩ মে) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ-এর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম।
জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি-এর সহযোগিতায় প্রায় ৬ হাজার ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটির প্যাকেজ-১ বাস্তবায়নের কাজ পেয়েছে পেন্টা-ওশান কনস্ট্রাকশন এবং টোয়া কর্পোরেশন। গত বছরের এপ্রিল মাসে প্রতিষ্ঠান দুটির সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চুক্তি সম্পাদিত হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, জাপান থেকে আনা বিশেষায়িত ড্রেজারের মাধ্যমে ড্রেজিং করে ২৫ কোটি ঘনফুটের বেশি মাটি ও বালি উত্তোলন করা হবে। এসব মাটি প্রকল্প এলাকা ভরাটের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ ব্যবহারের জন্য সংরক্ষণ করা হবে।

এই বৃহৎ প্রকল্পের আওতায় দুটি জেটি, একটি কন্টেনার টার্মিনাল এবং প্রয়োজনীয় ব্যাকইয়ার্ড সুবিধা নির্মাণ করা হবে। দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান দুটি যৌথভাবে আগামী চার বছরের মধ্যে ৪৬০ মিটার দীর্ঘ একটি কন্টেনার জেটি এবং ৩০০ মিটার দীর্ঘ একটি মাল্টিপারপাস জেটি নির্মাণ করবে।

মহেশখালীর প্রায় ১ হাজার ৩০ একর জমিতে বহুল প্রত্যাশিত মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মিত হচ্ছে। পুরো প্রকল্প বাস্তবায়নে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ২৪ হাজার ৩৮১ কোটি টাকা।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, প্যাকেজ-১ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২০২৯ সালে ১১ লাখ এবং ২০৪১ সালে ২৬ লাখ টিইইউএস কন্টেনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা অর্জন সম্ভব হবে।
সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে ২০২৯ সালের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে এবং ২০৩০ সাল থেকে বন্দরটি বাণিজ্যিকভাবে চালু করা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Single Sidebar Banner
  • সর্বশেষ
  • পঠিত