শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকালে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড উপকূলীয় এলাকার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তা প্রদান, ধর্মীয় উপাসনালয়, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও সর্বসাধারণের জানমাল সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ সরকারের নির্দেশনায়, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে উপকূলীয় অঞ্চলের পূজা মণ্ডপ ও ধর্মীয় উপাসনালয়ের সার্বিক নিরাপত্তায় কোস্ট গার্ড কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি আরও জানান, উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত ৫৬টি পূজা মণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোস্ট গার্ড পূর্ব জোন নিয়োজিত রয়েছে। দুর্গোৎসব চলাকালে যেকোনো ধরনের নাশকতা প্রতিরোধ, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিশেষ টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া পূজা মণ্ডপে আগত ভক্তদের যাতায়াত সহজতর করতে বিশেষ টহল দল মোতায়েন করা হয়েছে এবং অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
প্রতিমা বিসর্জনের সময় দুর্ঘটনা এড়াতে বোটে অতিরিক্ত যাত্রী না তোলা, লাইফ জ্যাকেট ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা এবং সাঁতার না জানা ব্যক্তিদের বোটে না তোলার বিষয়ে মাইকিং করে জনসচেতনতা বাড়ানো হচ্ছে। পাশাপাশি পানিতে ডুবে যাওয়া বা অন্য কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার ক্ষেত্রে দ্রুত উদ্ধার তৎপরতার জন্য ডুবুরি দল ও মেডিক্যাল টিম প্রস্তুত রয়েছে।
তিনি বলেন, “আমরা চাই দেশের শান্তিপ্রিয় হিন্দু জনগোষ্ঠী তাদের ধর্মীয় উৎসবটি সুন্দর, সুষ্ঠু ও নিরাপদ পরিবেশে উদযাপন করুক। যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে কোস্ট গার্ডের জরুরি সেবা নম্বর ১৬১১১-এ যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।”


