টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রামের নিচু এলাকাগুলোতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার (২৮ জুলাই) ভোর থেকে কখনও থেমে থেমে আবার কখনও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। বৃষ্টিতে নগরীর নিচু এলাকা কাতালগঞ্জ, ওয়াসা মোড়, জিইসি, চকবাজার, ইপিজেড, হালিশহর, আগ্রাবাদ কমার্স কলেজ সংলগ্নসহ বেশ কিছু এলাকায় হাটু থেকে কোমড় সমান পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও টানা বৃষ্টিতে জেলার বেশ কয়েকটি উপজেলায় বন্যা দেখা দিচ্ছে। তবে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, চট্টগ্রামে বৃষ্টিপাত আরও ২-৩ দিন অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয়রা জানান, সকাল থেকে জলাবদ্ধতার কারনে সড়কে যানবাহনের সংখ্যা কম। এ কারনে যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এই সুযোগে সিএনজি অটোরিকশা এবং রিকশা অতিরিক্ত ভাড়া দাবি করছে। খাল, নালা, ড্রেনে আবর্জনা জমে থাকার কারনে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় লোকজন।
এদিকে, নগরীর বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা দেখতে সোমবার সকাল থেকে সরেজমিনে পরিদর্শন করেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এ সময় মেয়র জলাবদ্ধতার কবল থেকে কিভাবে ওইসব এলাকাকে দ্রুত মুক্তি দেওয়া যায় তার উপায় খুঁজতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা প্রদান করেন।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম জানান, ‘চট্টগ্রাম নগরীতে এখন আগের মতো জলাবদ্ধতা স্থায়ী না হয়ে ঘন্টা খানেকের মধ্যে পানি নেমে যাচ্ছে। চলমান জলাবদ্ধতা নিরসনের কাজ পুরোপুরি শেষ হলে নগরীতে জলাবদ্ধতা তৈরি হবে না। বর্তমানে চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে চারটি প্রকল্পের কাজ চলমান আছে। যার মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৪ হাজার ৩৯ কোটি টাকা।’
এদিকে, চট্টগ্রাম পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের পূর্বভাস কর্মকর্তা মাহমুদুল আলম বলেন, ‘সোমবার (২৮ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত চব্বিশ ঘন্টায় বৃষ্টিপাত হয়েছে ৫৬ দশমিক ০৬ মিলিমিটার। বৃষ্টিপাত আরও ২-৩দিন অব্যাহত থাকবে। এ সময়ে পাহাড় ধসের শংকা রয়েছে।’


