নিজস্ব প্রতিবেদক : জীবন নামের ঝুলন্ত থলি থেকে, (পর্ব-০৬)।
কেউ কেউ ভাবছেন এই পৃথিবীই শুরু, এটাই শেষ। রঙ্গমঞ্চের খেলায় বিভোর এসব শুয়োরের পালের আবার (বক..?) ধার্মিকতা পূর্ণ দাম্ভিক আচরণের স্বরূপ নিজেদের অবলীলায় বসনে ভূষণ জাহির করতে আষ্ফালন করতে করতে সোস্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে গজিয়ে উঠা আত্মস্থ শিকর তাদের মনুষ্যত্বের বালাই থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ইতিহাস কারো কাছে অজানা, হয়তো বা জানা।
তবে আমার কাছে স্ব-বিস্তারে জানা, প্রমাণ শুদ্ধ প্রকাশের ভয়ে ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে তারা মূহুর্মূহু হত্যাযজ্ঞে মেতে উঠে নির্লিপ্ত ভাবে। বাদ পড়ে না মাসূম শিশু থেকে বয়োজ্যেষ্ঠ কেউই। পরতে পরতে ভালোবেসে নির্মোহ গো-বেচারা যে লোকটা তাদেরকে আগলে রাখতে আপনাকে নি:শ্বেস করে ক্ষীণকায় হয়ে পড়ে, তখন তার উপরই শৌয়ার হয়ে পড়ে হায়েনা, শকূণী কিংবা শুয়োরের পাল। কোমল মতি শিশুদের সাদা-সরল মনে পশুত্বের বীজ বপন করতে তাদের প্রয়োজন হয় না কোনও তালিম দাতার, কেননা তারা পয়দাগত বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ ইয়াজুজ মাজুজ সম্প্রদায়ের পূর্ব সূত্র। রজ্জূতে বর্ণিত দাজ্জালের সেনাসূত্রই হলো এই ইয়াজুজ মাজুজ সম্প্রদায়।
আমার কাছে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সুন্দরতম আচরণের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হয় সততা ও সত্যবাদীতা। কেননা মায়ের নিকট থেকে সর্ব প্রথম পাওয়া ছবকটি হলো এই, মিথ্যা হচ্ছে গুনাহ এর মা।
একটি মিথ্যা পুরো একটি জাতিকে বিভ্রান্ত করে দিতে পারে। এনে দিতে সক্ষম নাফরমানি তে সফলতার জন্য যোজন যোজন বাহবা’র ফুলঝুরি, তাই সব রকমের তোহফা কিংবা মসনদের সনদ কূলে ঝাঁপিয়ে না পড়তে মায়ের আদেশ ছিলো সেই বাল্যশিক্ষার পাঠ চুকিয়ে দেবার আগ থেকেই। তাই তাবৎ লোভ-লালসা, কাম-ক্রোধে আমার তেমন আগ্রহ নেই। কারো বিলাসী চৈতন্য আমায় তাড়িত করে না।
তাই, নিতান্ত স্বাভাবিক ভাবেই বসন ভূষণ জাহির করতে আমার তেমন আগ্রহ নেই। আমি সদাশয় ব্যস্ত তাদেরকে নিয়ে, যারা আমাকে জড়িয়ে ধরে হৃদয় প্রান্তরে, আমায় লালন করে অন্তরে অন্তরে। আমার কোনোও শত্রুর দেখা ম্যেলেনি অবধি। যারা বিভূতি ভূষণ করে থাকে কদাচিৎ, তারা পয়দাগত ভাবে প্রভূত জৈব ঊণ্মেষের তাড়ণায় উহার অবতারণা করে থাকে। আমার উহাতে তেমন আগ্রহ নেই, কেননা তাদের ধ্যান-মন আমায় চৈতন্য জাগায় না। অনেক তো চেষ্টা তদবির করে দেখেছি, কী-ই না করেছি তাহাবৎ চিত্তাকর্ষণ জাগাতে (!)
কোর্ট হিলের গলা ফাটিয়ে চিৎকার করা ও যাদুকরী ষান্ডার তেল থেকে শুরু করে ওঝা-বৈদ্যের পীড়াপীড়ি তে সাদা লজ্জাবতীর খোঁ পর্বতে পর্বতে ক্রোলিং করে বেড়াইনি (?) কিন্তু যদ্যবিভূতি বিফলে যেতে বাধ্য ইত্তসমূদয় ইয়াজুজ মাজুজ সম্প্রদায়ের কাছে। কারণ অতি সাধারণ মানুষ এর কাছে অতি মানবী (Super human) বধ্ যেনোতেনো ব্যপার নয়।

আমি বা আমাদিগকে ইয়াজুজ মাজুজ সম্প্রদায় ভূক্তদের কোনোও বিভূতি আতঙ্কিত বা তাড়িত করে না, বরং আপন আত্মবিশ্বাস কে ঝালাই করে গর্জে উঠার দীক্ষায় বলীয়ান হতে মহৌষধ (Super tonic) এর গুণে গুণান্বিত করে। আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা আমাদের সকলকে নেক আমল এর সাথে, নেক হায়াত কবুল করুন আমীন। একই সাথে মুনাফিক দের মধ্যে সৃষ্টি করে দিন, খোদা ভীতি ও সহীহ সুন্নাহর আলোকে রহমত ময় নূর। দূর করে দিন তথাবৎ ক্বলব, রূহের কিংবা নফসের প্রেতাত্মা, পঁচা-বাসী আবর্জনা।
পবিত্র হাদীছ শরীফে হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বর্ণিত আখেরি যামানার গোধূলি বেলায় অন্যথা ভাবনা চিন্তার ইয়ত্তা নাই। কেননা, ইয়া নফসি, ইয়া নফসি সম্মুখে আসীন। চট্টগ্রাম এর আঞ্চলিক ভাষায় জনশ্রুতি মূলে বলতে হয়, “মা-য় হয়দ্যে, মা-র ন্যেক বাঁচক, ঝি-এ হয়দ্যে, ঝিউর ন্যেক (!) ক্যেয়ামত আইয়্যির বুলি এগিন ব্যেআক”।

গত ১৬ আগষ্ট’ তারিখ টি ছিলো “বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী খায়ের-জাহান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট” পরিবারের এক ঐতিহাসিক ঘটনা প্রবাহের দিন। আগের দিন পনর আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে “বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী খায়ের-জাহান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট” কর্তৃক আয়োজিত স্মৃতি চারণ, প্রজন্মের অর্জন ও করণীয় শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে “হৃদয়ে রক্তক্ষরণ” এর মর্মষ্পর্শী ব্যথিত বদনে, আলোচনা শেষে অভিভাবক এর আচমকা আদেশ কিঞ্চিৎ বিচলিতও করে নি আমায়। মনে হচ্ছিলো সব যেনো ঠিকঠাক।
পরদিনই নগরীর ষ্কাইভিউ রেস্তোরাঁয় অনুষ্ঠিত হবে “চেতনা৭১নিউজ.কম” এর আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ এর মাহেন্দ্রক্ষণ।

অবিশ্বাস্য এক ঐতিহাসিক মধুময় আবেশে ছলছল চোখে বর্ণিত হতে থাকলো ক্রমাণ্বয়ে লোমহর্ষক যুদ্ধ কাহিনী। এতো বিশালতায় অনেকটাই কিংকর্তব্যবিমূঢ় এই আমি। চেতনা৭১নিউজ পরিবার একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন পর্ষদ কর্তৃক পরিচালিত হওয়া, কালজয়ী অনলাইন পোর্টাল এ পরিণত করতে তুখোড় মেধার বিকাশ ঘটানোর প্রয়াস অব্যাহত রাখা, অতি দ্রুততম সময়ের মধ্যে সরকারি বৈধ সকল প্রক্রিয়া প্রণয়ন ও প্রস্তুত করা সহ বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ আদেশ আপনাকে দায়িত্বশীল করে তোলে।
জাতির মানচিত্রের অভিভাবক গণের এই আদেশ বড়োই পবিত্র তম বলেই আন্ত: হৃদয়ে প্রোথিত। পবিত্র এই আদেশ পালনে বাধা সৃষ্টি কারীদের মুখোশ উন্মোচন করা নয়, এখন সম্ভবত: জবাবদিহিতার আওতায় আনতেও বাধ্য বাধকতা উঁকি দিচ্ছে খুউব শীঘ্রই। অন্যথা পূর্ব গোষ্ঠীর প্রতিশোধ নিতে প্রজন্ম হননের প্রাণান্ত প্রচেষ্টার ধৃষ্টতা নিশ্চয়ই উত্তরোত্তর শ্বাণিত হবে। প্রজন্মের হতাশার শিক্ষা নেই।
তাই, অবসাদে তো ভোগেই না, বরং গর্জে উঠার দীক্ষায় দীক্ষিত হওয়ার বদৌলতে ৭১’র চেতনার বাস্তবায়ন সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রস্তুতি নেয়ার খুব দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে। সময় জানিয়ে দিবে, ইনশাআল্লাহ আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা আমাদের এই হোমোসেপিয়ানস্ গোত্রীয় দ্বি-পদ্বী প্রাণী বিশেষ ইয়াজুজ মাজুজ সম্প্রদায়ের কূ-মন্ত্রণা থেকে সংবরণের সমূহ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সহায়ক হবেন, আমীন।

“মুক্তিযুদ্ধের বিজয় বীর বাঙ্গালীর অহংকার, শোষিত মানুষের সমাজ গড়তে যুদ্ধ হবে বারংবার”। অবশেষে এটাই হউক টিকে থাকার লড়াইয়ে, মূল প্রতিপাদ্য, সত্য সত্যই থাকে, মিথ্যা বিলুপ্ত হওয়ারই। বাংলাদেশ চিরজীবী হউক, জয় হউক বিশ্ব মানবতার।


