বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
Single Top Banner

গল্পের শুরু’টা না হয় পরে..!

জীবন নামের ঝুলন্ত থলি থেকে, পর্ব-০৫

আগামী পহেলা আগষ্ট’২০২০খ্রি: তারিখে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর পবিত্র “ঈদুল আযহা’র দিন। কোরবানি দেওয়া ফরজ। তবে সবার জন্য প্রযোজ্য নয়।

এই পবিত্র “ঈদুল আজহা” উপলক্ষে কোরবানি দেয়ার মূল মোজেজা হয়তো জানি আমরা সবাই, কিন্তু মেনে চলি কয়জন (?) মনের যতো পঙ্কিলতাকে মন থেকে দূর করে পুত-পবিত্র করতেই, অর্থাৎ কাম-ক্রোধ-লোভ-লালসাবৃত্তি তথা অন্যের সম্পদ লুন্ঠণ, নাবালক/নাবালিকা শিশুর সম্পত্তি আত্মসাৎ মর্মে শিশুমন’কে বিপথে পরিচালিত করে, ধীরলয়ে বুদ্ধিবধিরতায় পরিণত করে ক্ষুঁদে মেধাবী শিশু’র উজ্জল সোনালী আগামী বহুমূখী ভয়ঙ্কর বিপথগামীতা’র (Multiple destruction & tacktically damaging the golden future) দিকে সুকৌশলে ঠেলে দেয়া’র মতো ভয়ঙ্কর বিভূতি প্রায়োগিক কূ-মন্ত্রণা ইত্যাদি মন থেকে স্ব-মূলে বিসর্জন দেয়ার পবিত্র বাসনা থেকেই কোরবানির প্রচলন শুরু বলে আমার স্বল্প জ্ঞান আমাকে জানান দেয়।

কিন্তু এমন শুয়োরের বাচ্চা’র পাল আর তাবৎ দৃষ্টিগোচর হয়নি। সম্পত্তি আত্মসাৎ, অবশিষ্টাংশ আত্মসাৎ চেষ্টার প্রতিবাদ করা, অহংকার বোধক হুমকীর দ্ব্যর্থহীন জবাব দেওয়া, বাচ্চা লেলিয়ে দিয়ে ডিজিটাল বেইজ্জতির নোংরা চেহারা প্রদর্শণ, উহার প্রতিবাদ করলে বাচ্চার মা কর্তৃক চৌদ্দবংশ উদ্ধার এর সাথে কাল্পণিক যতো নোংরা গল্পকথার অপবাদ তাদেরই সাঁঝে, যাদের জন্মগত উৎপত্তি ঐ নোংরা তথা বাপের বংশের পরিচয় হীন, ছিন্নমূল সম্প্রদায় ভূক্ত। অনেকটাই যাযাবর ইহুদী বংশীয়। তারা, কি পারে(?) কারোরে আপন করে নিতে, বা কারোর আপন হতে (!) তাদের সংষ্পর্শে যারা একবার যায়, তাদের বংশধরদের ছিনতাই করে তাদের আত্মবিশ্বাস এর অন্তরালে লুন্ঠণ করতে থাকে সর্বস্ব।

এক পর্যায়ে মাঁকরসার (Self dedicaded Spider) ন্যায় শোষিত খোঁসাটা শেষ অবধি ফেলে রেখে চলে যায়। তাদের কাছে থাকে না কোনোও সমাজ, সামাজিক দায়বদ্বতা, সামাজিক মূল্যবোধ তথা ব্যক্তিত্বের বালাই।

বরং ঐ মাকরসাকে জ্ঞাত বহির্ভূত আয়ে বাধ্য করতে ব্যর্থ হলে, প্রকাশ্যে যত্তসব অবান্তর, অপাঙ্থেয় কিংবা সামাজিক অবক্ষয়ের অবান্তর কীট্ (The vulnerablity & Socially abandoned people) এ পরিণত করতে রজ্জুতে বর্ণিত ভয়ঙ্কর ইয়াজুজ-মাজুজ সম্প্রদায়ের আদলে আপনাকে স্বরূপে আবর্তীত হয়, একই বৃন্তে, একই সূরে পাল শুদ্ধ ! যার কারণে আমি বড়োই অজ্ঞতা বসত:ই শুয়োরের পাল সম্বোধন করতে বাধ্য হয়েছি, কেননা উহার’চে কর্মগুন সই সম্মান সূচক উপাধি আমার হীনজ্ঞানে আক্ষরিক অর্থে জানা নেই।

এরই মধ্যে শোষিত নীরিহ, ই.মা. দলিত, নিপীড়িত ও অতীশয় সরলমনা গো-বেচারা মানুষটি দীর্ঘদিন ধরে ছলনা’র আড়ালে নিষ্পেষিত হতে হতে প্রায়’ই ক্ষীণকায় মামুলি মৃত্যু দুয়ারে এসে যখন সম্বিত ফিরে পায়, তখন তার আর বাকহীন শূণ্যে তাকিয়ে দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে পরম করূণায় অন্তত: প্রাণে বেঁচে যাওয়ার শোকরীয়া বৈ কিছুই করার থাকে না।

গত বছর ২০১৯খ্রি: সনের ১২’আগষ্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিলো পবিত্র “ঈদুল আজহা”। এশিয়া প্যসিফিক অঞ্চলে বয়ে যাচ্ছিলো একেরপর এক আন্ত: দেশীয় বৈরী সাম্প্রদায়িক টান্ টান্ উত্তেজনা। একদিকে আরাকান রোহিঙ্গা শরণার্থী দের আর্তনাদে ভারি হয়ে উঠছিলো মায়ানমার সীমান্ত, অন্যদিকে কাশ্মীর সীমান্তে জম্মু জনগণের উপর ভারতীয় বর্বর আগ্রাসন থেমে ছিলো না আত্মকেন্দ্রিকতার বেড়াজালে। ছড়িয়ে পড়ছিলো পার্শবর্তী দেশ গুলোতেও।

আমার বারে বারে হৃদয়ে ভর করছিলো ৯০ এর অযোধ্যা ট্র্যাজেডি’তে ছড়িয়ে পড়া সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা’র বিভীষিকা ময় দিন গুলোর কথা। তাৎক্ষণিকভাবে ডাক পড়লো “বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী খায়ের-জাহান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট” পরিচালনা পরিষদ এর জরুরি বৈঠক। পবিত্র “ঈদুল আজহা’র” পশু কোরবানির পাশাপাশি আপন এলাকায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি’র উৎসাহ ব্যঞ্জক সম্মিলন এর আনন্দ মূখর একটি পরিবেশ তৈরীর চিন্তায় বিচলিত মনোভাব প্রকাশ পাচ্ছিলো বৈঠকে উপস্থিত প্রয়াত মহাত্মা শ্রদ্ধেয় দাদু জনাব দ্বিজেন্দ্রলাল বড়ুয়া মহাশয়ের সুযোগ্য সন্তান প্রিয় মামা বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও শিক্ষানুরাগী জনাব ঝুলন বড়ুয়া মহোদয় এর মুখমন্ডলে, একই সাথে বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও সংগঠক প্রয়াত জনাব জগদীশ চৌধুরীর সুযোগ্য সন্তান বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও শিক্ষানুরাগী জনাব সরিৎ চৌধুরী সাজু মহোদয় প্রস্তাব করলেন “বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী খায়ের-জাহান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট” এর তরফে ১৩’আগষ্ঠ’ই স্মৃতি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ এর অবিষ্মরণীয় এক আয়োজন করার।

চটজলদি বিশিষ্ট সমাজ সেবক, শিক্ষানুরাগী ও কলাম লেখক প্রিয় ছোট মামা মোঃ হাসানুর জামান চৌধুরী বাবু মহোদয় কাগজ কলম নিয়ে বসে গেলেন। বিশিষ্ট সমাজ সেবক, শিক্ষানুরাগী ও তরুণ মানবতার বিশুদ্ধ কান্ডারী, সম্মাণিত স্বত্বাধীকারী, এলিট কম্পিউটার্স লিঃ, জনাব বিকাশ বড়ুয়া মুকুট বসে পড়লেন কম্পিউটার নিয়ে।

বিচলিত বন্ধু বিকাশের হঠাৎ করেই চাঞ্চল্য বেড়ে গেলো ব্যনার, ফেষ্টুন, স্লোগান, ক্রেষ্ট ইত্যাদি’র পরিকল্পনা ও ডিজাইন নিয়ে। ভাবগাম্ভীর্য অভিবাবক ঝুলন মামা ছোট ছোট ঘর্মাক্ত চেহারাময় পরিকল্পনায় কাগজ-কলম হাতে ইনিয়ে-বিনিয়ে বিরবির করে ভাবতেই তালিকা প্রস্তুতে বেশ মনোযোগ সহকারে উচ্চারণ করত: লিখতে শুরু করলেন, কার ঘাড়ে কি খরচ পড়বে, মামা হাসানুর জামান দায়িত্ব বন্টন তালিকা প্রস্তুতে ডাগর চশমা চোখে লাগাতে মোটেও ভূলে যাননি, দাদা সরিৎ চৌধুরী বীর মুক্তিযোদ্ধা গণের সম্মানণা, অতিথি নির্বাচন, ভোলান্টারী এন্তেজাম ইত্যাদি’তে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন ততোক্ষণে।

ভয়ে ভয়ে আমি কমিটির তালিকায় চোখ বুলোতে মোটেও কালক্ষেপনের ত্বর সইতে ধৈর্য্যের কূল নেই, আর মান্যবর প্রধান অতিথি কিংবদন্তি মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আমার প্রাণের স্পন্দন জনাব মহসিন খান মহাশয়কে মোবাইল ফোনে কল করতে দেরি নেই, সাথে আমার পিতার ছাঁয়া আরেক কিংবদন্তি রাজনৈতিক ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার জনাব চৌধুরী মাহাবুবুর রহমান মহাশয়ের নিকট অনুষ্ঠানের মহামান্য উদ্ভোধক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করার বিণীত আবেদন, তিনি স্বাদরে গ্রহন’ই করেন নি (!), বরং আবেগাপ্লুত কন্ঠে হয়তো ছলছল নয়নে বলে উঠলেন

বাবা “মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সমাজ বিনির্মাণ” স্লোগানের মর্মার্থ সার্থকতার মূল উদ্দীপনা সৃষ্টি করতে তোমরা যে, রুদ্রকঠিন, অথচ নিবেদিত প্রাণ (!) সে আর বুঝতে দ্বিধা নেই। আগামী দিনের সাফল্য অর্জনে বঙ্গবন্ধু’র বূণে যাওয়া বীজ রোপণ করতে তোমরা যে, সত্যি অনুকরণীয়, সেও বুঝতে আর বাকী রইলো না। অভিবাবকের এহেন আবেগ, অঝোরে কাঁদিয়েছিলো জরুরী বৈঠক রত প্রায় সকলকে’ই। আমেজের ঠ্যেলায় অজান্তে’ই আপ্লুত অন্তরে উচ্চ স্বরে মুখ ফসকে বেরিয়ে আসছিলো, “গ্রামের নওজোয়ান, হিন্দু-মুসলমান হক্কলে মিলিয়া জারী গান গাইতাম, আমরা আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম,”…! যেমন কথা তেমনই কাজ। তরুণ শিক্ষানুরাগী ও সমাজ সেবক ছোট ভাই জুয়েল বড়ুয়া, প্রিয়তোষ বড়ূয়া সহ সম্মানিত গণের কন্ঠে ধারাভাষ্য তো নয়, যেনো চৌধুরী জাফরুল্লাহ শরাফত মহাশয়ের আত্মকন্ঠ ধারণ করে বজ্র গর্জন শুনতে পাচ্ছিলেন আম জনতা (!)

আবালবৃদ্ধবনিতা কারোর সেদিন খেলার মাঠে ঝাঁপিয়ে পড়াটায় অবশিষ্ট না থেকে, সবার মধ্যে উচ্ছাসের বন্যা বয়ে গেলেও, আমার ভিতর শংকা ভর করেছিলো এই যে, খালি পড়ে থাকা এলাকায় আবার না জানি চোর-চামুড্ডা’দের নির্ভিঘ্ন দূ:সাহসীক কূ-বীরত্ব গাঁথা কৃতিত্বের প্রতিফলন ঘটে যায়! রীতিমতো আশপাশের তিন গ্রামের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সকলের অগোচরে আৎকা সিকিউরিটি গার্ড নিয়োগ দেয়া হয়েছিলো কমপক্ষে তিন ঘন্টার জন্য।

স্মৃতির পাতায় হাতড়িয়ে স্মৃতিচারণ নয়, মননশীল সর্বস্তরের জনসম্পৃক্ততায় চলমান প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখতে দূরদৃষ্টি সম্পন্ন বর্ণিত সকল উচ্চ মানসিকতার অধিকারী শ্রদ্ধাভাজনেষু মহলের দৃপ্ত পরিকল্পিত সিদ্ধান্ত গৃহীত ছিলো একই বৈঠকে। কিন্তু আলবদরের পালের গোঁদায়, রীতিমতো হালের বলদে পরিণত হতে হতে কখন যে আমরা শুধু রক্তে কেনা মানচিত্রের মর্যাদা’ই ভূলুন্ঠিত করিনি বরং ধ্বংসস্তুপে পরিণত করতে বসেছি আপন সত্তাকেই।

শুধু কি তাই (?) বঙ্গবন্ধু’কে নিয়ে রচিত কবিতা’কে ব্যঙ্গ করায় ঊষ্মা প্রকাশ করার প্রতিশোধ নিতে আমার অগোচরে বাসায় এসে মানণীয় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক মানণীয় উপদেষ্টার সার্বিক তত্তাবধান ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ঠ অধিদপ্তর কর্তৃক সরাসরি শিশু শিক্ষার মননশীলতা ও মেধা বিকাশের লক্ষ্যে পরিচালিত অনুষ্ঠাণ “বঙ্গবন্ধু কে জানি, মুক্তিযুদ্ধ কে জানি” শীর্ষক অনুষ্ঠান নিয়ে যে ব্যঙ্গাত্মক হাস্যরসের উপহাসের তোড়ে আমাকে হতে হয়েছে জর্জড়িত।

নিরঙ্কুষ ভালোবেসে দাবীর মূখে সাফ কবলায় কিনে দেয়া আড়াই কাঠা যায়গা কখনোই স্ব-পতি’কে ভয়ঙ্কর বিভূতির মুখে আস্তাকূঁড়ে নিক্ষেপ করতে পারে, আপন ঔরষজাত সন্তান’কেও বিপরীতার্থে ফিরিয়ে নেয়া সম্ভব (!) এও জানার বাকী ছিলো (?) আচ্ছা তো যিনি উপহাস করে আমার অনুপস্থিতি’তে আমার বাসায় এসে উক্ত ব্যণার ছূঁড়ে ফেললেন, তিনি অবুঝ নন, নেশাগ্রস্থও নন ! তারা দু’জনের পিতৃপরিচয় জানি বটে, তৎপূর্বের কারোর উৎপত্তিস্থলই যারা বর্নণা দিতে পারে না, তারা অন্যের চৌদ্দবংশ নিয়ে অবমাননাকর উচ্চারণে সাহস পাওয়া ধৃষ্টতা’র ন্যায় ক্ষুদ্র বিশেষণ দেয়া আমার পক্ষে লজ্জাষ্করই বটে।

আমি কোনোও রকমে টেনে-ছিঁড়ে পাস্ বিধায় এহেন ঔপনিবেশিক সূত্রগত মহাশয়’দের বড়োই ব্যেগ্যতা করে নিবেদন এই যে, আপনি জানেন-আমি জানি। না জানি আর কেউ জানে কিনা। যদি জেনে যায় পাপারাজ্জির দল, সূত্রীয় পরিচয় তো ফুটে উঠাবেই, আবার আইন আদালতেও পৌঁছে দিতে পারে, সাবধান।

আশাকরি সোয়া সের এর চেয়ে আড়াই সের এর ওজন খুব একটা কম হবে না, তখন তো ভিক্ষা টিক্ষা দিতাম, এখন কিন্তু তাও অক্ষম। তাই বড়োই ভালোবাসি আপনাদের, এহেন উদার পন্থি বালভাসা শুধূ মন খুলে পশ্চিমেই পাওয়া যায়, আপনাদের সমভাবে একাকার বালভাষায় আমি মরে না গেলেও, আশায় আমি বেঁচে থাকতে চাই, চমচম, ওমমমমমা…!!!!

তবুও দ্যর্থহীন ভাবেই বলছি, মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম কারোর’ই তাঁবেদারি’তে নতজানু হবার জন্য সৃষ্ঠ নয়। সাংষ্কৃতানুকূল্যে গর্জন দিতে চাই এই বলে, যে আমরা ক্ষত্রীয়, লড়তে জানি—! তাই মরলে শহীদ, বাঁচলে গাজী ! গোলাম আযম সম্প্রদায়ের প্রতি তীব্র হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলতে চাই, তর্জনী নামিয়ে রাখতে কষ্ট হলে, বেয়নেট ধাঁরালো করে বেয়নেটের অসম্মান করতেও প্রজন্ম তীব্র থেকে তীব্রতর ঘেন্না বোধ করে, কেননা আজকাল নেইল কাঁটারের ভোঁতা ছুরিই যথেষ্ট, তোদের মত পিতৃপরিচয় হীন মানবতা বিরোধী বেজন্মাদের জন্য।

হে পরওয়ারদেগার…! আমরা বেশ কিছু দ্বি-পদী’র সিদ্ধান্ত, এবারের ঈদুল আজহায় আমাদের আত্ম সমুদয় লোভ-লালসা, কামনা-বাসনা সহ দুনিয়বী যতোসব কলূষতা কোরবানির পরম উছিলায় আমাদের কে মুক্তি দিও, তুমি রহমান, তুমি রহিম, পশু জবাই এর চেয়ে করোনা গজবের বদৌলতে নিরব ক্রন্দনে অশ্রু সামলাতে ব্যস্ত অভূক্ত, অথচ মুখ লুকিয়ে থাকা প্রতিবেশীর মুখে তোমার রহমতের হাঁসি ফোঁটাতেই বেশি গুরুত্ব মনে করছেন আমাদের ক্ষুঁদে ও মেধাবী প্রজন্মের অগণিত কিশোর যুবক। আবারও একটি বার হউক জয় বিশ্ব মানবতার, ছুম্মা আমীন।

সর্বতো দ্বি-পদী প্রাণীকূলে মনুষ্যত্ব প্রষ্ফুটিত হউক, জগতের ফেতনা-ফ্যসাদ দূর হউক এই বারের পবিত্র “ঈদুল আযহা”র পশু কোরবানীর সাথে সাথে দূর হউক মনের পশুত্ব। এই কামনায় বিশ্ব মানবতার আশু মুক্তি’তে বিশেষ দোয়ার আহবান জানিয়ে এবারের ঈদের শুভেচ্ছা……!

ঈদ মোবারক।

Single Sidebar Banner
  • সর্বশেষ
  • পঠিত