সিপি ডেস্ক :
আওয়ামী লীগের ২২তম জাতীয় সম্মেলন কাল শনিবার (২৪ ডিসেম্বর)। সম্মেলনকে ঘিরে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও আশপাশের এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পুলিশ-র্যাব-ডিবি, সাদা পোশাকে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য অবস্থান নিয়েছেন। প্রতিটি প্রবেশপথে আর্চওয়ের মাধ্যমে তল্লাশি চালিয়ে নেতাকর্মী ও মানুষকে ভেতরে প্রবেশ করানো হবে।
শুক্রবার (২৩ ডিসেম্বর) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সম্মেলনস্থল পরিদর্শন করেছেন ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক ও র্যাব মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন। পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তারা এসব তথ্য জানিয়েছেন।
এদিকে আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ (আইইবি) সংলগ্ন গেট অথবা শিখা চিরন্তন গেট দিয়ে প্রবেশ করতে বলা হয়েছে আমন্ত্রিত অতিথি, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ-সদস্য এবং আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের। এছাড়া এ দুই গেট দিয়ে প্রবেশ করবেন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ সদস্য, মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকও।
সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী সব কাউন্সিলর, ডেলিগেট ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বাংলা একাডেমি, রমনা কালীমন্দির, টিএসসি ও চারুকলা অনুষদসংলগ্ন গেট দিয়ে প্রবেশ করতে বলা হয়েছে।
শুক্রবার সকালে পরিদর্শন শেষে ডিএমপি কমিশনার সাংবাদিকদের বলেন, সম্মেলনের নিরাপত্তার জন্য যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে আমাদের ফোর্স ডিপ্লয়মেন্ট করেছি। আমাদের এসবি ও র্যাবসহ সবাই মিলে এই ভেন্যুতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা রেখেছি। সব গেটে আর্চওয়ে ও সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। এই সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যোগদান করবেন। প্রধানমন্ত্রী সব সময়ই ঝুঁকির মধ্যে থাকেন। এর আগে অনেকবার তার জীবননাশের চেষ্টা হয়েছে। আল্লাহর অশেষ রহমতে তিনি বেঁচে গেছেন। এজন্য আমরা তার নিরাপত্তাকে সবসময়ই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে থাকি। সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে, ত্রুটি-বিচ্যুতি আছে কিনা- এসব পর্যবেক্ষণ করছি।


