বিশেষ প্রতিনিধি: ইতিহাসের কিংবদন্তি ! বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, অধ্যাপক পূলিন দে’র সম্মানে তাঁরই যোগ্য ছাত্রের (বিশিষ্ট কবি, প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক শ্রদ্ধাষ্পদ রবিন ঘোষ) শ্রদ্ধাষ্পদ স্মৃতিচারণ সরাসরি তাঁর ফেইসবুক ওয়াল থেকে:
আমার শিক্ষক, ধলঘাট স্কুলের প্রধান শিক্ষক পুলিন দে। তাঁর বর্ণাঢ্য অসাধারণ সাধারণ জীবনাচরণ শুধু বই হাতে লেখাপড়া শেখায়নি শিখিয়েছে কেমন করে সৎ থাকতে হয় শিখিয়েছে রাজনীতি করলে সমাজসেবা করলে নৈতিকতা ধরে রাখতে হয়।
তিনি ক্ষমতার রাজনীতি করতেন না তিনি করতেন জনগণের রাজনীতি। তিনি এমন শিক্ষক যাঁর কাছে পদ পদবী তুচ্ছ। পদ পেতে তিনি লবি করতেন না। তাই বঙ্গবন্ধুর প্রিয়পাত্র ছিলেন। ছিলেন আজকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আপন জন।তাই তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য। তাঁর রাজনৈতিক স্বচ্ছতা নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলতে পারবেন না। বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যাকান্ডের পর মোশতাক – জিয়া তাঁকে জেলে পুরেছিল। তাঁর একমাত্র অপরাধ তিনি বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। একশ ভাগ। তাঁর সেই দৃঢ়তা আমাকে শিখিয়েছে অবিচল থাকতে হবে আপন আদর্শে।
আমি সেই শিক্ষকের ছাত্র ছিলাম সান্নিধ্যে ছিলাম যিনি ছিলেন আদর্শের এক পরিপূর্ণ ভান্ড। তাঁকে কেনা যেত না।তাঁরও কিনবার ইচ্ছা ছিল না পদপদবী।অথচ তাঁর পাশে দাঁড়াবার লোক ছিল অজস্র। তিনি মুখ ফুটে বললেই শ্রদ্ধাভরে তাঁর জন্য অপেক্ষা করার লোক প্রস্তুত থাকত। তবে তিনি এসবের ধারে কাছে থাকতেন না। তিনি বলতেন, প্রতিটি রাজনীতিকের উচিত জনতার সুখদু:খের খবর নেয়া। অথচ আমরা তার বিপরীতটা দেখি।
সর্বক্ষেত্রে সহজিয়া জীবন যাপনে অভ্যস্থ এমন শিক্ষককে কি করে ভুলি?
আমি কভূ ভুলি না,
আমি কভূ ভুলিব না তাঁরে।


