জীবন নামের ঝুলন্ত থলি থেকে, (পর্ব-০৯) !
“ভূতপূর্ব” শিরোনামে প্রস্তাবিত “বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী খায়ের-জাহান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট” কর্তৃক গৃহীত “দূর্দান্ত পরিকল্পনা ও আগামী” (!) শীর্ষক ভাবনাগত আলপণা “বিশ্ববাসী’র এক সাথে যে পরিমান ক্ষতিসাধন করে যাচ্ছে, অদৃশ্য অণুজীব “করোনা” এবং “ক্লোণ ক্যন্সার”, এর ব্যকটেরিয়া বাহী যাবতীয় দ্বি-পদী সদৃশ্য মনূষ্য রুপী কীট্, তার’চে অপরিসীম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বীরত্ব গাঁথা “ধলঘাট” এর বাসিন্দাগণ, তথা বাংলাদেশ”(!)

*প্রথমত: “করোনা”র ভয়ানক উপসর্গ ভিন্ন রুপে, ভিন্ন স্বাদের চৌকস সমণ্বিত অভিনয়ের ইহজাগতিক সফলতার স্বরুপে ইঙ্গিত বহন করে ফিৎনা-ফ্যাসাদ এর পরমানুসর্গের ব্যূৎপত্তি ঘটেছিলো “সব্বু-গুড্ডু” উপ-নাম ধারণ করে আমার সহবাসের আদীম ওহী (নাঊজুবিল্লাহ্) নাযীল এর মধ্যদিয়ে !
*দ্বিতীয় সংস্করণ হিসেবে “ক্লোণ ক্যন্সার” এর ব্যকটেরিয়া বাহী ভয়ঙ্কর কীট-পতঙ্গ “বীর.মু.হা.খা.জা.মে.ট্রা.” কর্তৃক আয়োজিত স্মৃতি প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্টের প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে ছবক দানের মাধ্যমে। *তৃতীয়ত: একই সংষ্করণের মাধ্যমে হতবুদ্ধিতা’র অভিসম্পাত জাগরণের আন্ত:লীলায় “জ্ঞান-বুদ্ধি লোপ পেয়েছে ভেবে আপনাতে লাগাতে” পরম মমতায় আগ্রহ প্রকাশ করার মধ্য দিয়ে। *চতুর্থত: একই ব্যকটেরিয়ার মৌলিক উৎস কর্তৃক (আদা’র বেপারী’র জাহাজের খবর বিশ্লেষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়া, অনেকটাই) প্রস্তাবিত “বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী খায়ের-জাহান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট” এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এর চৌদ্দ বংশের খৎনার মধ্যদিয়ে।
*পঞ্চমত: উৎসের মৌলিক এর মৌল উপাদান কর্তৃক তাচ্ছিল্য, সমণ্বিত প্রেতাত্মা কর্তৃক উক্ত দাতব্য, অথচ নিরঙ্কুশ জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট মহা কর্মযজ্ঞকে বানচাল করতে যদ্যবিভূতি, যা আমার কর্মস্পৃহাকে তদ্যপি বাড়িয়ে তোলে স্ফুলিঙ্গের ন্যায়। *চুড়ান্ত পর্যায়ে মীর-ঘষেটি’র নব্য সংষ্করণের অবিষ্ফোরিত প্রয়াস অব্যাহত পরমাণু চুল্লি তে পরিণত হওয়া পরিলক্ষ করতে করতে কখন যে, অভ্যস্ত হয়ে গ্যেছি (!) তা হয়তো বেমালুম’ই থাকুক।

লেখা-ঝোঁকায় তেমন হাত নেই, তবুও মন বলে যায়, একটা বিষয় তোমাকে লিখতেই হবে, কেননা এটা কে পড়বে না পড়বে, সেটা বিষয় নয়। ইতিহাস যে চীর অক্ষয়, তাই যেটা ঘটমান অতীত এ “করোনা”র থাবায় একটুর জন্য আঁছড়ে পড়লো, সেই নিকট অতীতের অবিষ্ফোরিত আকর্ষণ এর তাৎপর্য’টা অন্তত: লিখে রাখার মধ্যে ভবিতব্য আগামী’র জন্য অনেক অনেক গুরুত্ব আছে বলেই মনের কোণে তাগিদ বোধ তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে ইতিমধ্যে। সম্ভবত মরণঘাতী ভাইরাস “করোনা” যেকোনোও মূহুর্তেই আমার/আমাদের যে কারোর বলি দানের কারণে পরিণত করে, এ শংকা’ই এর মূল কারণ হতে পারে। এক্ষেত্রে “বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী খায়ের জাহান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট” যদি তার গতি নিয়ে প্রগতির পথে এগিয়ে যেতে থাকে, তবে মাঝি মাল্লাদের জন্য এ লিখনী হয়তো, মূল স্রোতের আশু বিষয় নিয়ে বেগ পেতে হবে না, এমন তর গাইড এর ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে পারে।
সুতরাং আদৌ কি ঘটতে যাচ্ছিলো ১৪’মার্চ,২০২০ খ্রি: তারিখে, তার গুরুত্ব কতখানি তাৎপর্যপূর্ণ, সেটাই এখানে তুলে ধরা উচিত, যা হয়তো নিকট আগামীর সু-নিশ্চিত সম্ভাবনা অস্পষ্ঠ, বিধায় প্রকল্পের আওতায় আগামী’তে কাজটি আরো জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর সাথে সাথে মান্যবরেষু গণের শ্বাণ-মান সমেত উপস্থিতি, আনুষ্ঠানিক উপ-আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিক পরিকল্পনা গুলোর পেছনের মূল লক্ষ্য’কে ঢের শ্বাণিত করবার ভূমিকায় কার্যকর লক্ষ্য স্থির করে এগিয়ে যেতে পারে যোজন যোজন দূরে। আপাত: দৃষ্টিতে আমি মনে করি, “বিশ্ববাসীর একসাথে যে পরিমান ক্ষতিসাধন করে যাচ্ছে, অদৃশ্য অণুজীব “করোনা তথা পূর্ব সূত্রে বর্ণিত মুক্তিযুদ্ধের দাউদ একজিমা’রা”, তার’চে অপরিসীম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে”বীরত্ব গাঁথা ধলঘাট” এর বাসিন্দাগণ, তথা বাংলাদেশ।


রাষ্ট্র অজ্ঞাতসারেই হারিয়েছে পূর্ণচন্দ্রীমা’র দ্বি-প্রহরের উজ্জ্বল চন্দ্রালোকের ন্যায় সূচনাপেক্ষ একটি বিশেষ গৌরবময় অধ্যায়। হয়তো অপেক্ষায় রত, পরম করুনাময় আল্লাহ্ সোবহানু তায়ালা’র মেহেরবানী’তে আগামী’র অপেক্ষায় আছি। আরো অনেক কিছু যোগকরে আরো বেশি ধাঁরালো ও মসৃণ আকর্ষণীয় ধারণার বাস্তবায়ন করতে। ইনশ্ আল্লাহ্।


