বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
Single Top Banner

চট্টগ্রামের মাঠ উত্তাপ, ভোট নিয়ে শঙ্কা

ভোটের আগেই উত্তাপ ছড়াচ্ছে ভোটের মাঠে। ভোটের দিন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে সংঘাত-সংঘর্ষের ঘটনা। এ ছাড়াও কেন্দ্র দখল, ভয়-ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ভোটারদের মাঝে। এ নিয়ে ভোটের দিনের পরিবেশ নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন প্রার্থী ও ভোটাররা।

বেশি আতঙ্ক-শঙ্কা ছড়াচ্ছে চট্টগ্রামের পটিয়া ও কর্ণফুলী উপজেলায়। চলমান ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের চতুর্থ ধাপে আগামী ২৬ ডিসেম্বর জেলার পটিয়া, কর্ণফুলী ও লোহাগাড়া উপজেলার ২৭টি ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

আজ শুক্রবার (২৪ ডিসেম্বর) রাত থেকে বন্ধ হচ্ছে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা। নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে প্রচার-প্রচারণায় তুঙ্গে উঠেছে গ্রামীণ জনপথ।

প্রচার-প্রচারণায় পোস্টার-ব্যানার ছেঁড়া, ভয়-ভীতি প্রদর্শনের গতানুগতিক অভিযোগ রয়েছে। রয়েছে ভোটকেন্দ্র দখল, বহিরাগতদের আনাগোনা, সরকারদলীয় প্রার্থীদের বিশেষ সুবিধা লাভ, পক্ষপাতিত্বসহ নানা অভিযোগ। নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে অভিযোগ তত বাড়ছে। বাড়ছে সংঘাত-সহিংসতার ঘটনাও।

গত মঙ্গলবার রাতে পটিয়ার কাশিয়াইশ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে দুই প্রার্থীর সমর্থকদের সহিংসতা, অগ্নিসংযোগ, ক্যাম্প ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে আহত হয়েছে অন্তত ১৫ জন।

এ ঘটনায় চেয়ারম্যান প্রার্থীর গাড়িও ভাঙচুর করা হয়। কাশিয়াইশ ছাড়াও কুসুমপুরা, কেলিশহর, ছনহরা, কচুয়াই ইউনিয়নে সংঘাত-সংঘর্ষ ও ক্যাম্প ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

পটিয়া উপজেলার ১৭ ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এরমধ্যে তিন ইউনিয়নে বিনা ভোটে চেয়ারম্যান হচ্ছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী। চেয়ারম্যান পদে ভোট হবে ১৪ ইউনিয়নে। এরমধ্যে আট ইউনিয়নে সহিংসতার আশঙ্কা করছেন ভোটার ও প্রার্থীরা।

কর্ণফুলী উপজেলার ৪ ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এরমধ্যে একটি ইউনিয়নে বিনা ভোটে চেয়ারম্যান হচ্ছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী। তিন ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর সঙ্গে আছেন বিদ্রোহী প্রার্থী। তিন ইউনিয়নে বিদ্রোহী তিনজনই বর্তমান চেয়ারম্যান।

লোহাগাড়া উপজেলার ৬ ইউনিয়নের মধ্যে বড়হাতিয়া ও পুটিবিলা ইউনিয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান হচ্ছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী। চেয়ারম্যান পদে ভোট হবে পদুয়া, চরম্বা, কলাউজান ও চুনতি ইউনিয়নে।

Single Sidebar Banner
  • সর্বশেষ
  • পঠিত