বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী লোহাগাড়া উপজেলা শাখার সাবেক সফল সেক্রেটারি মরহুম মাওলানা আবুল কালাম আজাদের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৫ আগস্ট, বুধবার সকাল ৭টায় পদুয়া তেওরীখিল গোল মসজিদে লোহাগাড়া উপজেলা শাখা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
স্মরণসভায় বক্তারা বলেন, মরহুম আবুল কালাম আজাদ তাঁর চমৎকার সাংগঠনিক দক্ষতা, উদারতা এবং তৃণমূল নেতাকর্মীদের সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণের মাধ্যমে সবার হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছিলেন।
উপজেলা আমীর অধ্যাপক আসাদুল্লাহ ইসলামাবাদী-র সভাপতিত্বে এবং উপজেলা সেক্রেটারি অধ্যক্ষ আ.ন.ম নোমান-এর সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মুহাম্মদ জাকারিয়া।
প্রধান অতিথি মুহাম্মদ জাকারিয়া তাঁর বক্তব্যে মরহুমের দ্বীনি ও রাজনৈতিক জীবনের নানা স্মৃতিচারণ করে বলেন, “মাওলানা আবুল কালাম আজাদ ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের এক আলোকবর্তিকা। তৃণমূল পর্যায়ে সাধারণ মানুষ ও সংগঠনকে সুসংগঠিত করতে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। নেতাকর্মীদের প্রতি তাঁর ভালোবাসাপূর্ণ আচরণ আজও আমাদের অনুপ্রেরণা জোগায়।
বিশেষ বক্তারা মরহুমের সহনশীলতা ও সাংগঠনিক দক্ষতার প্রশংসা করে বলেন, “মাওলানা আবুল কালাম আজাদ তৃণমূলের নেতাকর্মীদের পরম মমতায় আগলে রাখতেন। তিনি সবসময় সংগঠনের স্বার্থে ও দ্বীনের কল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ হয়ে কাজ করেছেন। তাঁর জীবনের এই আদর্শ আমাদের প্রতিটি কর্মীর জন্য অনুসরণীয়।
আয়োজিত এ স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন:জহির মুহাম্মদ শামসুদ্দিন .বাইতুল মাল সম্পাদক, লোহাগাড়া উপজেলা. অধ্যাপক হাসান .আমীর, আমিরাবাদ ইউনিয়ন.কাজী নুরুল আলম কর্মপরিষদ সদস্য, লোহাগাড়া উপজেলা. আ.ক.ম হামিদুল হক .আমীর, পদুয়া ইউনিয়ন.ছলিম উদ্দিন .আমীর, চুনতি ইউনিয়ন.ডাঃ ছিদ্দিক আহমদ আমীর, কলাউজান ইউনিয়ন.মাওলানা মহিউদ্দিন আমীর, লোহাগাড়া সদর ইউনিয়ন. আহমদ শিবলী সেক্রেটারি, চরম্বা ইউনিয়ন.রফিক দিদার সহ-সভাপতি, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন, লোহাগাড়া উপজেলা.মাওলানা আব্দুর রহমান, সেক্রেটারি পদুয়া ইউনিয়ন.নুরুল সিকদার সহ অন্যান্য স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক আসাদুল্লাহ ইসলামাবাদী বলেন, “তিনি শুধু একজন দক্ষ সংগঠকই ছিলেন না, বরং একজন দায়িত্বশীল অভিভাবকও ছিলেন। আমরা আল্লাহর দরবারে তাঁর মাগফিরাত কামনা করি এবং তাঁর রেখে যাওয়া পাঁচটি কন্যাসন্তানের সুসংগঠিত ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে সংগঠন এবং সমাজের সবাইকে অভিভাবকের ভূমিকা রাখার আহ্বান জানাচ্ছি।
স্মরণসভা শেষে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা এবং তাঁর পরিবারের সার্বিক কল্যাণ প্রার্থনা করে বিশেষ দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করা হয়।


