বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
Single Top Banner

সততার প্রতীক ও একজন খাঁটি দেশপ্রেমিক ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মহসীন খাঁন: স্মরণ সভায় মোছলেম উদ্দিন আহমদ এমপি

নিজস্ব প্রতিবেদক: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি জননেতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোছলেম উদ্দিন আহমদ এমপি বলেছেন, মরহুম মহসীন খাঁন একজন সৎ, জ্ঞানী ও নির্লোভ বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন।

১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর ডাকে সারা বাংলায় শুরু হয় প্রতিরোধ ও মুক্তি সংগ্রাম। গড়ে উঠে মুক্তি বাহিনী। দ্বিধাহীন চিত্তে সামরিক বাহিনীর বাঙালির সদস্যগণ স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। এ অবস্থায় কলেজে অধ্যয়নরত অবস্থায় মহসীন খাঁনও বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।

তিনি দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম করে দেশের মানুষকে স্বাধীনতা অর্জন করিয়ে দিয়ে নিজের জীবনকে থামিয়ে রাখেননি। জনসেবার মানসে নিজ ইউনিয়ন পটিয়া ৯নং জঙ্গলখাইন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। চেয়ারম্যান হিসেবে মহসীন খান সফল ছিলেন। শিক্ষা বিস্তারে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। শিক্ষা ছাড়া কোন জাতি উন্নতি লাভ করতে পারে না, এই বিশ্বাস তাঁর মনে ছিল। তাই তিনি এলাকায় শিক্ষা বিস্তারে ইউনিয়ন কৃষি স্কুল এন্ড কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবেও তাঁর ব্যাপক সুনাম রয়েছে।

তিনি বলেন, তিনি তাঁর শ্রম, মেধা, অর্থ দেশ ও জাতির কল্যাণে ব্যয় করেছেন। ত্যাগী এই নেতার আদর্শকে অনুস্মরণ করে দেশ ও জাতির কল্যাণে আত্ম নিয়োগ করতে হবে। সততার প্রতীক ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মহসীন খান। একজন অত্যন্ত কর্মী বান্ধব ও চিন্তাশীল মানুষ হিসাবে মহসীন খান ইতিহাসে চিরঞ্জীব হয়ে থাকবেন।

৩০ সেপ্টেম্বর বুধবার, বিকেল ৪টায় নগরীর ডি সি হিলের বিপরীতে এ কে খান মিলনায়নে (ফুলকি) বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: মহসীন খাঁন স্মরণ সভা কমিটি আয়োজিত পটিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান, যুদ্ধকালীন গ্রুপ কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ মহসীন খাঁনের স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

বীর মুক্তিযোদ্বা চৌধুরী মাহাবুবুর রমানের সভাপতিত্বে ও বীর মুক্তিযোদ্বা নুর মোহাম্মদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত স্মরণ সভায় প্রধান আলোচক হিসাবে বক্তব্য রাখেন পটিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী।

বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্বা এম এন ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ জাফর, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফেরদৌস ইসলাম খান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক চেয়ারম্যান রফিক আহমেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মন্নান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: ইছহাক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মুছা আলম, মরহুমের সন্তান মোহাইমিনুল ইসলাম খান, ডাঃ কাজল বড়ুয়া প্রমুখ।

সভায় মরহুমের যুদ্ধকালীন ভুমিকা ও অন্যান্য কর্মকান্ডের বিশদ বিবরণ তুলে ধরেন বক্তারা এবং তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়।

Single Sidebar Banner
  • সর্বশেষ
  • পঠিত