চেতনা৭১নিউজ ডেস্ক: “সু-বংশে সু-মানুষ সূধীজনে কয়, সু-বীজে সু-ফসল ফলিবে নিশ্চয়”। সম্ভবত: বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের একটি স্লোগান ছিলো এটি। ইতিহাস ও ঐতিহ্য একটি জাতির মানদন্ডের বিচারের মাপকাঠি হিসেবে কাজ করে বলেই আমার বিশ্বাস। এদিক থেকেও চৌধুরী পরিবারের একজন সরিৎ চৌধুরীর কথা বলছি না, বলছি উদীয়মান অগনিত ক্ষুঁদে তারুণ্যের দৃপ্তি ছড়ানো, অথচ প্রচার বিমুখ, নির্মোহ ও উদাহরণ যোগ্য অসাম্প্রদায়িক শিক্ষার একটি পাঠশালা হিসেবে খ্যাতির যোগ্য আমাদের সাজু দা’র কথা।
জনপ্রিয় নিউজ পোর্টাল “জনতার কন্ঠ” যথার্থই উল্লেখ করেছেন যে, “সরিৎ চৌধুরীর বড় পরিচয় হচ্ছে তাঁর পিতা স্বাধীনতা পূর্বে ধলঘাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য (১৯৫৮)। ধলঘাট ইউনিয়ন প: প: হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা কল্পে ভূমি দান সহ ১৯৪০ সাল নাগাদ প্রতিষ্ঠিত বিলুপ্ত প্রায় দেশের একমাত্র অষ্টবিংশতি বৌদ্ধ বিহার “বাংলাদেশ বৌদ্ধ সেবা সদন” এর ভূমি জটিলতা নিরসনে স্থাণীয় তৎকালীন সমাজের গণ্যমান্য ও তাঁরই অগ্রজ প্রতীম বন্ধু হাজী মোঃ ইসমাইলের সাথে ভূমি সমণ্বয় পূর্বক পূণ: প্রতিষ্ঠা করে অসাম্প্রদায়িকতার বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন কারী মহৎ ব্যক্তিত্ব প্রয়াত জগদীশ চৌধুরী তাঁরই পিতা। এছাড়াও তাঁর পিতা মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ছিলেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা জ্যোতি প্রকাশ বলরাম চৌধুরী তাঁর চাচা। তাঁর বড় জ্যেঁঠা প্রয়াত মনিন্দ্র প্রসাদ চৌধুরী (MP Chowdhury) একজন বিপ্লবী ও ইংরেজী সাহিত্যের লেখক ছিলেন। ছিলেন ভারতের রির্জাভ ব্যাংকের বিজ্ঞ আইনজীবিও। তাঁর মামা অধ্যাপক অমলেন্দু বড়ুয়া ধলঘাট স্কুল এন্ড কলেজের স্বনামধন্য অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক”।
এ ছাড়াও আরও অনেক তথ্য উপাত্ত প্রকাশ করেছেন এ পোর্টাল ছাড়াও অনেক প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া। তেকোটা বাসীর অকৃত্রিম এই বন্ধু কে নিয়ে আমার এতো কিছু বলার নেই, শুধু স্রষ্টার কাছে শুকরিয়া জ্ঞাপন করতে চাই বৌদ্ধিক বন্দণার ভাষায় “সাধু সাধু সাধু”।
“বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী খায়ের-জাহান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট” প্রস্তাবনা, “বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী খায়ের আহমদ স্মরণ সভা উদযাপন পরিষদ” ও স্মরণিকা প্রকাশ, “বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী খায়ের আহমদ স্মৃতি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠান”, সর্বোপরি সম্ভবত: চলমান করোনা সংকট এর প্রারম্ভে লক্ ডাউন শুরুর প্রথম দিকেই ভূখা মানুষের ক্ষুধার তাড়ণানুভবে তাঁরই হৃদয় নিংড়ানো পরামর্শে “বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী খায়ের-জাহান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট এর উদ্যোগে প্রতিবেসী আপামর গ্রামবাসীর মধ্যে সর্বপ্রথমেই অন্ততঃ সত্তরটি পরিবারের যৎসামান্য হলেও দশ দিনের জন্য মেহেমানদারীর কার্যক্রমটি তার মানবিক চৈতণ্যের প্রতিফলন। বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী খায়ের-জাহান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট এর অন্যতম এই ত্রাতার দীর্ঘায়ু সুস্থ জীবন কামনা করি শুধু প্রগতিশীল ধারা অব্যাহত রাখতে আমাদের অগ্রদূত হিসেবে। ছড়িয়ে দিতে চাই তাঁকে পুরো জাতির জন্য, তাই আমি মনে করি, দীর্ঘ সময় ধরে একটা মানুষ জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে যেখানে আপাদমস্তক সমর্পিত (!) তিনি ধলধাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক এর ন্যায় যৎসামান্য পরিসরে নয়, পুরো জাতির কাছেই পৌঁছুন আমাদের এই প্রাণের স্পন্দন। তদ্যপি মানণীয় হুইপ বীর পটিয়ার মানণীয় সাংসদ এর চৌকস প্রতিভূ মূল্যায়িত হউক আমাদের প্রতি আরও উত্তরোত্তর সূদূর প্রসারি, এটুকুই কামনা।
মোঃ নাজিম উদ্দীন
প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী খায়ের-জাহান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট।


