জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ এক এবং অভিন্ন সূত্রে গাঁথা। বঙ্গবন্ধুর জীবন-দর্শন, কর্ম ও রাজনীতিচর্চাকে ধারণ করে বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করতে হবে। তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বিশ্বের যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের।
স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিব বর্ষে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত ‘জ্যোতির্ময় বঙ্গবন্ধু ও বর্তমান বাংলাদেশ’ শীর্ষক ভার্চ্যুয়াল আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও বঙ্গবন্ধুর কর্মময় জীবন ও স্বাধীনতাসংগ্রামের অবদানকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার ষড়যন্ত্র চলছে উল্লেখ করে এ বিষয়ে নতুন প্রজন্ম তথা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সজাগ থাকারও আহ্বান জানান তিনি।
বুধবার বিকেলে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে (জুম ও ফেসবুক লাইভ) এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এম কামরুজ্জামান এতে সভাপতিত্ব করেন। অন্যদের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এ কে আজাদ চৌধুরী, হাজী দানেশ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এম আফজাল হোসেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার বিধান চন্দ্র হালদার প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, কম সময়ের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর জীবন-দর্শন, কর্ম ও রাজনীতিচর্চাকে তুলে ধরা কঠিন। বাংলাদেশ গড়তে প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে জনগণকে সম্পৃক্ত করে বাঙালির অধিকার আদায়ে কাজ করেছেন তিনি। ছাত্রজীবন থেকে শুরু করে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সফল হয়েছেন।
হাজী দানেশ বিশ্ববিদ্যালয় তরুণ ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জ্ঞানের আধার হিসেবে যে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে, আগামী দিনেও বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে বাংলাদেশকে আরও উচ্চ মর্যাদার আসনে নিয়ে যাবে—এমন প্রত্যাশা করেন স্পিকার।
অনুষ্ঠানে আলোচকেরা বলেন, পৃথিবীতে ‘নন-ভায়োলেন্ট মুভমেন্ট’-এর কথা এলে বঙ্গবন্ধুর শ্রেষ্ঠত্বের কথা আসে। ১৯৭১ সালের মার্চ মাসের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো সময়টা তিনি নন-ভায়োলেন্ট মুভমেন্টের মাধ্যমে নেতৃত্ব দিয়েছেন। নিজের জন্য কিছু করেননি। সর্বাগ্রে এগিয়ে রেখেছিলেন দেশের মানুষকে। তাঁর চেতনাকে ধারণ করতে পারলেই সোনার বাংলাদেশ গড়া সম্ভব হবে, দেশ এগিয়ে যাবে।


