বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
Single Top Banner

গল্পের শুরু টা না হয় পরে… !!

জীবন নামের ঝুলন্ত থলি থেকে, (পর্ব-১২) ।

১৯৭১’ পূর্ব ইয়াহিয়া-ভূট্টু সম্প্রদায় ভূক্ত প্রেতাত্মাদের দানবীয় অত্যাচারের কূরুক্ষেত্র হিসেবে তথাকথিত পূর্ব পাকিস্তানের নাগরিকদের গন্য করা হতো তাদের ক্রীতদাস হিসাবে। স্বাধীনতার এতো’টা বছর পরেও ফুলে ফেঁপে ওঠা পূর্ব গোষ্ঠীর বুণে যাওয়া প্রেতাত্মা’দের শ্যেণ দৃষ্টি মুক্ত হতে পারেনি আমার নিরীহ মা-বোন ! আজও মেনে নিতে পারেনি কমপক্ষে দুই লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রম জলাঞ্জলি দিয়ে, তথা ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তগঙ্গা’র বদৌলতে অর্জিত স্বাধীনতার লাল সবুজের বিশ্বজয় ঐ নরপিশাচ ইয়াহিয়া-ভুট্টু সূত্রের পয়দাগত বংশোদ্ভূতরা। এ ব্যর্থতার দায় অন্যের ঘাড়ে চাঁপিয়ে দিতে চাই না। লজ্জাজনক হলেও সত্যি যে, এ ব্যর্থতা একান্তই আমাদের। “গল্পের শুরু টা না হয় পরে”
(সিরিজ) এর পর্ব-০৫ সূত্রে বর্ণিত, বর্নণায় সুস্পষ্ট আছে,
কারা এই বংশীয় সূত্রধর।

আজ সেই মর্মন্তুদ হৃদয় ভাঙ্গার গগন বিদারী আর্তনাদ আমাকে আর আটকে রাখার চেষ্টা বিফলে যেতে’ই বাধ্য ! কেননা, কিছু কিছু অমীমাংসিত রহস্য উদঘাটন করতে না পারা পর্যন্ত আমার অন্তর্দহনের তীব্রতা বৃদ্ধি পায় এবং সমুদয় স্বরুপে উম্মোচিত না হওয়া অবধি,
আমায় তাড়িয়ে বেড়ায় সেই মীর-ঘষেটি’র সূত্র, তথা খন্দকার গং সূত্রীয় সমাচার !! কি না করতে পারে তারা, অন্যের সম্পদ লুন্ঠণে মরিয়া হয়ে হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে (?)

গোমরাহির অতল গহবর এর তলাণীতে পৌঁছে, তন্ত্র-মন্ত্র, যাদু-টোনা, প্রয়োজনে কামরূপ-কামাক্ষা পর্যন্ত পৌঁছে যাবে। এর সবই পরিকল্পিত ভাবে পুলিশের নিম্নপদ থেকে পদোন্নতি পেয়ে এএসপি হওয়া বড়ভাই, বড়ভগ্নিপতি, ডায়ণী রূপের মূর্তিমান আতঙ্কের প্রতীক স্বয়ং মা ও একই রূপের সমষ্টি বড়বোন। অন্য বোন ভাই (একই শিক্ষায় শিক্ষিত বৃন্তজাত সকলেই ! যাদের থেকে পয়দা হওয়া প্রজন্ম কখনোই সু-শিক্ষিত হতে যে পারে না, তারই ধারাবাহিকতার প্রমাণ।

প্রসঙ্গত: গেলো বছর আরাকান রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট, কাশ্মীর উপত্যকা যেমন বিশ্ব
বাসীর জন্য অস্বস্থি কর পরিবেশের অবতারণা সৃষ্টির এক সাম্প্রদায়িক বৈপরীত্যের শংকাসনে আসন্ন ঈদুল আযহার (১২,আগষ্ট’২০১৯খ্রি:) সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এলাকায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনিন্দ্য সম্মিলন এর জোয়ার বইয়ে দিতে ১৩,আগষ্ট’১৯ খ্রি: তারিখে “বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী খায়ের-জাহান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট” এর সম্মানিত কর্ণধার গণ কর্তৃক আয়োজিত “বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী খায়ের আহমদ স্মৃতি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ”এর ন্যায় দূর্দান্ত মননের চেতনায় নজির বিহীন সাফল্যের ঘটনায় ঈর্ষাণ্বিত গোষ্ঠী যারা আমার বুকের সন্তান কেড়ে নিয়ে দীর্ঘদিন কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে অর্থাৎ পিতার বিরুদ্ধে সন্তানদের মগজ ধোলাই এর কাজ টি প্রকাশ্যে নির্ভীঘ্নে, অথচ নিষ্ঠুরতার অতলে আমার জীবন বিপন্ন করতে একীভূত কুচক্রী মহল এর বর্বরতা। একই সাথে আমাকে মামলা হামলার ভয় দেখিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে যাচ্ছিলেন।

তারাই আবার আমার অন্দর মহলে বসত করত: যথারীতি মানবিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের দন্ডায়মান স্বরুপে আমার ব্যক্তিত্ব চূর্ণ-বিচূর্ণ করে, বস্তুত: আমাকেই সমাজের কীট্ এ পরিণত করতে বাপের গোষ্ঠীর দৃপ্ত শপথ লয়ে, আমার জীবন দর্শনকে কুঠারাঘাত কার্যক্রমে বেলেল্লাপনা করে যাওয়া এক নির্মম, অথচ আত্ম বিধ্বংসী পঙ্থীমালার স্বরুপ উম্মোচিত হয়েছিলো।

যদিও এর পূর্বে “সব্বু গুড্ডু” তথা “ফুয়ারা খাতুন” নামীয় পিতৃপরিচয় হীন আইডি গুলো তাদের কৃতকর্ম কর্তৃক ধর্ষিত হয়েছিলো। অত:পর ঐ স্ব-গৌরবে গর্বিত সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়ে, বেশ নবুয়ত্ব প্রতিষ্ঠায় মৌলিক সাতন্ত্র্য জানান দিয়েছিলেন এই ভাবে যে, “এসব অপাঙ্থেয়, বাজে পথে, টাকা-পয়সা ব্যয় না করে বরং সিয়াম-মুনতাহা কে ভালো ভালো টিচার দেওয়া ও ভালো ভালো খাবার খাওয়ালে ভালো হতো না”(!), আরোও অবান্তর যত্তোসব বিকৃত প্রয়াস।

যা আমার অত্যন্ত মর্মাহত হওয়া অপরাধ হতে পারে (!) এই অভিধান আমার জানা ছিলো না। তবে এর প্রেক্ষিত উদঘাটন মামুলি বটে। তথাপিও সালিনতার প্রশ্নে আন্তরিক ও অভ্যাস গত বিনয়, অপরিসীম গুরুত্ব বহন করে। এ প্রসঙ্গে আমার পরবর্তী পর্বে কিভাবে, আমার সংসার-সন্তান কেড়ে নিয়ে, আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর সেই বর্বর জিঘাংসার সূত্রপাত ঘটিয়েছিলো, কে কি ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলো, অথচ মূল উদ্দেশ্য ও রহস্যময়তাবৃত বিভূতি ভূষণ পরিলক্ষিত হয়েছিলো ! চমকে যাওয়ার পর্বটিতে চোখ রাখুন, আশাকরি হাল-সমাজের ইয়াজুজ মাজুজ সম্প্রদায়ের চেহারা আপনার সম্মুখে প্রশ্নাতীত ভাবে প্রদর্শিত হওয়া শুরু হতে সময়ের প্রয়োজন হবে না….!!

Single Sidebar Banner
  • সর্বশেষ
  • পঠিত