বিশেষ প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের স্বনামধন্য ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলোর মধ্যে সাইডার ইন্টারন্যাশনাল স্কুল বিগত ২৩ বছর যাবত সুনামের সাথে এর শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
মহামারির এই ক্রান্তিলগ্নে যখন বিশ্বের অন্যান্য প্রতিষ্ঠান তাদের কর্মযজ্ঞ সীমিত করেছে, সেখানে সাইডার তার নিজস্ব লক্ষ্য ও দিক নির্দেশনা থেকে বিন্দুমাত্র পিছু হটে নি।বরং প্রযুক্তিভিক্তিক সেবার সর্বোচ্চমান প্রদান করে অনলাইনে তার শিক্ষা কার্যক্রম করেছে বিস্তৃত। আর এটি সম্ভব হয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ, সম্মানিত অভিভাবকগণ, অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, শিক্ষকবৃন্দ এবং সর্বস্তরের অফিস স্টাফদের অক্লান্ত শ্রমে।
সাইডার বিশ্বাস করে এর প্রতিটি শিক্ষার্থীই বিশেষ এবং সমান অধিকার সম্পন্ন। তাই তো বৈশ্বিক বিপর্যয়ের এইদিনে গত জুন থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মাসিক বেতন ১০% মওকুফ করেছে। শুধু তাই নয় কিছু অভিভাবকের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে স্কুলের অধ্যক্ষ জিসি ত্রিপাঠী কিস্তির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বেতন পরিশোধের সুযোগ করে দেন। এমনকি মহামারি শুরুর প্রাক্কাল থেকে চলতি নতুন সেশন অবধি যেসব শিক্ষার্থী স্কুল ফিস পরিশোধ করে নি তাদেরও কোন শ্রেণি কার্যক্রম তথা প্রাত্যহিক ক্লাস, ইউনিট ও হাফ ইয়ার্লি এসেসমেন্ট, এন সি ওয়ার্কশপ অর্থাৎ সকল কার্যক্রমে প্রতিটি শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণের পথ উন্মুক্ত রেখেছে। প্রতিটি শিক্ষার্থীর সর্বোত্তম শিক্ষাসেবা নিশ্চিত করতে সাইডার বদ্ধ পরিকর। যা স্কুলটিকে এই দুঃসময়ে অনন্য উচ্চতায় আসীন করেছে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় কতিপয় অভিভাবক “ সাইডার অভিভাবক ফোরাম” গঠন করে স্কুলটির বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত।
উল্লেখ্য এই অভিভাবক ফোরামটি অবৈধ। কারণ ফোরামটি স্কুল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত নয়। তাদের দাবি স্কুল কর্তৃপক্ষ নাকি তাদের সন্তানকে শ্রেণিকার্যক্রমে বাধা প্রদান করছে, যা মোটেও সত্য নয় এবং মিথ্যে ও বানোয়াট।বরং তারা স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে কিছুকাল নিজেদের সন্তানকে অনলাইন শ্রেণিকার্যক্রম থেকে বিরত রেখে স্কুল কর্তৃপক্ষের প্রতি তাদের সন্তানকে শিক্ষা গ্রহণ হতে বঞ্চিত রাখার অভিযোগ করেছে। যা অমূলক ও ভিত্তিহীন। বিরতকালীন তাদের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মনে কীরূপ বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়েছিল তারা তা একবারও ভেবে দেখেন নি। মূলত এসব দলছুট অভিভাবকের উদ্দেশ্য অনলাইন ক্লাস চলাকালীন স্কুল ফিস প্রদান ব্যতিরেকে সন্তানদের শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে সবরকম সুবিধাভোগ এবং অবস্থার উন্নতিতে অন্য স্কুলে গমন। এজন্য তারা স্কুলের সুনাম নষ্ট করতে ব্যতিব্যস্ত এবং স্কুলের প্রতি সহনশীল মনোভাব প্রদর্শনে অনিচ্ছুক। বস্তুত তারা তাদের ব্যক্তিগত আক্রোশ চরিতার্থ করতে অসত্যের আশ্রয় নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
সাইডার কর্তৃপক্ষ চট্টগ্রাম শহরে একটি আন্তর্জাতিকমানের স্কুল প্রতিষ্ঠা করে সমাজ উন্নয়নের লক্ষ্যেই স্কুলটি পরিচালনা করছে।
একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সাইডার এগিয়ে যাচ্ছে দ্রুততার সাথে এর অভিনব সব নৈপুণ্যের সমন্বয়ে। সাইডার তার সংশ্লিষ্ট প্রতিটি সদস্যের পাশে আছে এবং থাকবে।


