জীবন নামের ঝুলন্ত থলি থেকে, পর্ব-০৪
(প্রয়াত শ্রদ্ধাভাজনেষু দিদি মাতা রমা চৌধুরী স্মরণে)
সময়ের সাথে হারিয়ে যেতে পারে না বিপ্লবী মাতা “রমা চৌধুরী” ! তিনি বলেছিলেন “স্বর্গে আমি যাবো না”! তুমি রবে কোটি বাঙালির প্রাণের হৃদয় স্বর্গে, আমার প্রাণের সোনা দিদি মাতা, শ্রদ্ধাভাজনেষু অভিভাবক তূল্য আযাদ তালুকদার মহাশয়ের ৭১ রিপোর্ট টি ফেইসবুক মেমোরি তে ভেসে উঠে পরম শ্রদ্ধায়, ক’ফোঁটা অশ্রুর অবাধ্য গরিয়ে পড়া ঠেকানোর বৃথা চেষ্টা যেনো প্রবল ধাক্কায় ডুকরে কেঁদে ওঠে মন।
একদম চিন্তা করবে না দিদিমণি, জহর এর দায়িত্ব পরম করুনাময় আল্লাহর, বিড়াল গুলো প্রতিনিয়ত লুসাই ভবনের ঐ কোঠরী ছাড়ছে না। দয়ার কুঠির পরিপূর্ণ হয়ে একদিন দিদির মন্দির আরাধ্য আধারে পরিণত হতে বড়ো বেশি অপেক্ষা করতে হবে না বলেই বিশ্বাস। সান্তণা এই, তোমার নাজিম তোমার আশীর্বাদ পুষ্ট রীতি-নৈতিকতার প্রশ্নে অণড়ই থাকবে। কোনোও অথর্বতার লোভাতুর পিশাচদের ভ্রুঁকূটি কে তোয়াক্কা করে নি, করতে পারে না, এ তুমি আস্থা রাখতে পারো।
ও হ্যাঁ, তোমার পূঁচকি বুকের আদরের মুনতাহা কে বিবেক হরণকারী জিঘাংসার নির্মমতায় ৭১’র গুপ্ত প্রেতাত্মার আশীর্বাদ পুষ্ট শুয়োরের পাল ভবদহে বন্দী করে, জঙ্গি ওয়াশ করে চলেছে, সাথে ঐ’যে তোমার পবিত্র কোলের আদর দেয়া ফুটফুটে সোনার বদনকেও নিয়ে গেছে ওরা, ছিনিয়ে নিয়েছে মানবতা। ওরা আমার মুখাগ্নী’র সপ্তপ্রহরে লিপ্ত থেকে জিন্দা চিতায় জ্যান্তদ্বাহ করতে আম্রকাননে নয়, মাদার কাষ্ঠে’র ধূসর দুর্গন্ধ বের করতে মরণ কামড় দিয়ে চক্রান্তের চরম ঘৃণ্য পর্যায়ে আমাকে পৌঁছে দিতে নিজেদের ঐ ঘর্মাক্ত দ্বাহদারে পৌঁছে গেছে।
তবুও ভেঙে পড়িনি, কারণ তুমি আশীর্বাদ দিয়েছিলে না (!) বলেছিলে না ? “বীরের কাছে বরাবরই মীরের পতন হতে বাধ্য (!)” এ তো কথা নয়, যেনো অমৃত বাণী ..!! জয়তু মাতৃভাজণেষু রমা চৌধুরী ।


