রাঙামাটি শহরে রোববার সন্ধ্যা থেকে রাত সোয়া ১১টা পর্যন্ত পরিচালিত পুলিশের বিশেষ সাঁড়াশি অভিযানে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের তিন নেতাসহ অন্তত ২০ জনকে গ্রেফতার ও আটক করা হয়েছে।
ডেভিল হান্ট, কিশোর গ্যাং, মাদক ব্যবসা ও সেবন, এবং জুয়া বিরোধী এ অভিযানে শহরের বিভিন্ন এলাকায় একযোগে তল্লাশি চালায় পুলিশ।
গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে রাঙামাটি কোতয়ালী থানার অফিসার মো. জসিম উদ্দিন জানান, রাঙামাটির পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আব্দুর রকিব (পিপিএম)-এর নির্দেশনায় রোববার বিকেল থেকে পুরো শহরজুড়ে বিশেষ অভিযান শুরু করা হয়। রাত সোয়া ১১টা পর্যন্ত অভিযানে মোট ২০ জনকে গ্রেফতার ও আটক করা হয়েছে।
আটক ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন ১ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি জসিম, সাধারণ সম্পাদক বাবু ত্রিপুরা এবং ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নরেশ মজুমদার। তাদের ডেভিল হান্ট সংক্রান্ত মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এছাড়া কিশোর গ্যাং কার্যক্রম, জুয়া এবং মাদক কেনাবেচার অভিযোগে আরও ১৭ জনকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে সোমবার আদালতে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে কোতয়ালী থানার অফিসার মো. জসিম উদ্দিন বলেন, “রাঙামাটি শহরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে পুলিশ বদ্ধপরিকর। কিশোর গ্যাং, মাদক, জুয়া কিংবা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধ দমনে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত শহরজুড়ে নিয়মিত সাঁড়াশি অভিযান পরিচালিত হবে।”
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ও সন্দেহভাজন এলাকায় একযোগে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে বলেও জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।


