বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি এস এম লুৎফর রহমান বলেছেন, সাম্য ও ন্যায়ের ভিত্তিতে ইনসাফ ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য খোদাভীরু ব্যক্তিত্ব নেতৃত্ব অনস্বীকার্য।
তিনি আজ শনিবার (২৩ আগস্ট) নগর ফেডারেশনের ৩৯ নং ওয়ার্ডের উদ্যোগে আয়োজিত কর্মী শিক্ষা শিবিরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। ওয়ার্ড সভাপতি শহিদুল ইসলাম-এর সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন নগর ফেডারেশনের সহ-সভাপতি নজির হোসেন, জামায়াত মনোনীত চট্টগ্রাম ১১ আসনের প্রার্থী শফিউল আলম, ফেডারেশনের পতেঙ্গা থানা সভাপতি মইন উদ্দিন, জামায়াতের ৩৯ নং ওয়ার্ড সভাপতি এডভোকেট শাহেদ আলী প্রমুখ।
এস এম লুৎফর রহমান বলেন, মানুষের দুনিয়ার জীবন ততক্ষণ পর্যন্ত সুস্থির ও কল্যাণময় হবে না যতক্ষণ না তার মধ্যে খোদাভীতি সৃষ্টি হবে। আজকের সমাজের রন্ধে রন্ধে সমস্যা। এই সমস্যার মূলে রয়েছে খোদার বিধানের প্রতি আমাদের পশ্চাৎপদতা। সৃষ্টি যার বিধান তার। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদেরকে তার খলিফা হিসাবে দুনিয়াতে প্রেরণ করেছেন। আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে দুনিয়ার জমিনে তার বিধান পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে অনুসরণ ও বাস্তবায়ন করা। দুঃখজনক হলেও সত্য আমরা খোদার বিধান অনুসরণ ও বাস্তবায়ন করছি না। উল্টো দুনিয়াতে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের দেখানো সিরাতুল মোস্তাকিমের পথ ছেড়ে দুনিয়ার বস্তা পচা ব্যর্থ পথে হাঁটছি। যার ফলে আমাদের ব্যক্তি জীবন থেকে শুরু করে সমাজ-রাষ্ট্রে অশান্তির দাবানল নেমে এসেছে। আজকে কোথাও শান্তি নেই। বরং চারিদিকে শুধু হিংসা-মারামারি, লুটপাট-দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের কালো ছায়া আমাদের ঘিরে রেখেছে।
তিনি বলেন, এমন অবস্থা উত্তোরণের জন্য আমাদেরকে সর্বপ্রথম নিজেদেরকে আল্লাহর কাছে সোপর্দ করতে হবে। দুনিয়ার জীবন নিজ মর্জিমত নয় আল্লাহ ও রাসুলের দেখানো পথে পরিচালিত করতে হবে। আমাদের ব্যক্তি ও পারিবারিক জীবন কুরআন সুন্নাহর আলোকে গঠন করতে হবে। সমাজ রাষ্ট্র পরিচালনা করতে হবে কুরআনের নির্দেশনার মোতাবেক। এই লক্ষ্যে সমাজ ও রাষ্ট্রের নেতৃত্ব তুলে দিতে সৎ দক্ষ ও খোদাভীরু নেতৃত্বের কাছে।
এস এম লুৎফর রহমান বলেন, আমরা যদি আমাদের কাজগুলো সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে পারি তাহলে সমাজ ও রাষ্ট্রে সাম্য ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠিত হবে। আর সেই দিন এদেশের মেহনতি শ্রমিকরা তাদের অধিকার ও মর্যাদা ফিরে পাবে।
শিক্ষা বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন ইপিজেড থানার সাধারন সম্পাদক আবদুস সবুর আশেকি, আবদুর রহিম বিশ্বাস, মুহাম্মদ আরিফুর রহমান, হাজেফ ইদ্রিস প্রমূখ।


