বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
Single Top Banner

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অনশনরত ছয় শিক্ষার্থী অসুস্থ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি :

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির পদত্যাগসহ সাত দফা দাবিতে চললাম আমরন অনশন করছেন বাম সংগঠনগুলোর নেতারাসহ ৯ শিক্ষার্থী। অনশনের ৩৫ ঘন্টা পর নয় জনের মধ্যে ছয়জন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এদের মধ্যে তিন জনকে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিক্যাল সেন্টারে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১১সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে তাঁরা অসুস্থ হয়ে পড়েন। গত বুধবার দুপুরে প্রক্টর কার্যালয়ে ‘অধিকার সচেতন শিক্ষার্থী’ ব্যানারে এ অনশন শুরু করে তারা। এ পর্যন্ত ৯ শিক্ষার্থী যুক্ত হয়েছেন অনশনে। অসুস্থ তিন শিক্ষার্থী হলেন নারী অঙ্গনের সংগঠক সুমাইয়া শিকদার, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর জশদ জাকির ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের সংগঠক ধ্রুব বড়ুয়া।

অন্যদিকে প্রক্টর কার্যালয়ের সামনে পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের (ইউপিডিএফ-সমর্থিত) সাধারণ সম্পাদক সুদর্শন চাকমা, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর রাজনৈতিক শিক্ষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক আহমেদ মুগ্ধ এবং বিপ্লবী ছাত্র যুব আন্দোলনের সংগঠক ঈশা দেকে স্যালাইন দেওয়া হয়েছে।

অসুস্থ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মেডিক্যালে থাকা চারুকলা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, গতকাল থেকেই অনশনরত অবস্থায় রয়েছেন নয়জন। প্রশাসন একবার এলেও শিক্ষার্থীদের যে ন্যায্য দাবি, সেটির প্রতি সাড়া দেয়নি। এখন তিনজনকে নিয়ে আমরা বিশ্ববিদ্যালয় মেডিক্যালে সেন্টারে এসেছি। ওদিকে প্রক্টর অফিসের সামনে আরও কয়েকজন অসুস্থ অবস্থায় রয়েছেন। শিক্ষার্থীদের শারীরিক অবস্থা আর কত অবনতি চাচ্ছে এই প্রশাসন।

চিকিৎসাকেন্দ্রের জরুরি বিভাগের ইনচার্জ মো. শুভ বলেন, জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন আছেন তিনজন। সারা দিন অনশনের ফলে তাঁদের রক্তচাপ কমে গেছে। আমরা তাঁদের স্যালাইন দিয়েছি। শারীরিক অবস্থা স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক শামীম উদ্দিন খান বলেন, অনশনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা প্রশাসনের আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাঁরা আমরণ অনশনে চালিয়ে যাচ্ছেন। রোববার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আলোচনার জন্য ডেকেছিল তাঁদের। কিন্তু অনশনরত শিক্ষার্থীরা তা মানছেন না।

উল্লেখ্য, স্থানীয়দের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের গত ৩০ ও ৩১ আগস্ট কয়েক দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ৫০০ শিক্ষার্থী আহত হন। সংঘর্ষের পর শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে প্রক্টরিয়াল বডির পদত্যাগ দাবি করেন ‘অধিকার সচেতন শিক্ষার্থীবৃন্দ’ ব্যানারে থাকা শিক্ষার্থীআ।

Single Sidebar Banner
  • সর্বশেষ
  • পঠিত