বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
Single Top Banner

নারী ও শিশু ধর্ষণের প্রতিবাদে নগরীতে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ

 স্টাফ রিপোর্টার: দেশব্যাপী ধর্ষণ-নারী নির্যাতনের প্রতিবাদে এবং জড়িতদের বিচার দাবিতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ করেছেন বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) নগর ছাত্রলীগ সভাপতি ইমরান আহমেদ ইমু’র সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া দস্তগীর সঞ্চালনায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় বক্তারা বলেন, ধর্ষকদের পরিকল্পিতভাবে রাজনৈতিক মোড়কদানকারীরা মূলত ধর্ষকের শাস্তি বাস্তবায়নের পথে বড় অন্তরায়। ধর্ষণকাণ্ডে রাজনৈতিক রুপদানকারীদের একই অপরাধে অভিযুক্ত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান তারা।

বক্তব্য দেন নগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি তালেব আলী, ইয়াছিন আরাফাত কচি, নোমান চৌধুরী, একরামুল হক রাসেল, জয়নাল উদ্দিন জাহেদ  নাঈম রনি, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক অমিতাভ চৌধুরী বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক খোরশেদ আলম মানিক, অর্থ সম্পাদক হাসানুল আলম সবুজ, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য  ওসমান গনি বাপ্পি, এম এ হালিম সিকদার মিতু, কায়সার মাহমুদ রাজু,শেখ সরফুদ্দিন সৌরভ, সহ-সম্পাদক এম হাসান আলী, শুভ ঘোষ, সদস্য মোস্তফা কামাল আরাফাত রুবেল, মিজানুর রহমান মিজান, সালাউদ্দিন বাবু, চান্দগাঁও থানা ছাত্রলীগ সভাপতি নূরুন নবী সাহেদ, পতেঙ্গা থানা ছাত্রলীগ সভাপতি হাসান হাবিব সেতু, বন্দর থানা ছাত্রলীগ সভাপতি কাইয়ুম, ডবলমুরিং থানা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক রাকিব হায়দার, চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি মাহমুদুল করিম, সাধারণ সম্পাদক সুভাষ মল্লিক সবুজ, ইসলামিয়া  কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি রাকিব, সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ, এম ই এস কলেজ ছাত্রলীগ নেতা ইমাম উদ্দিন নয়ন, ফয়সাল আহমেদ, সিটি কলেজ ছাত্রলীগ নেতা আবদুল মালেক, হাবিবুর রহমান হাবিব প্রমুখ।

ছাত্র ও যুব ইউনিয়নের মশাল মিছিল

এদিকে ধর্ষণ-নারী নির্যাতনের প্রতিবাদে এবং বিচার দাবিতে সন্ধ্যায় নগরের চেরাগী পাহাড় মোড়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে মশাল মিছির বের করেছে ছাত্র ইউনিয়ন ও যুব ইউনিয়ন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশের প্রতিটি জায়গায় ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেই চলছে। এটা একদিনে হয়নি।

এসব ঘটনার বিচার না হওয়ায় বিচারহীনতার সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে। এই বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই দেশে একের পর এক বর্বরোচিত ঘটনা ঘটে চলেছে। ধর্ষণ-নির্যাতনের একটি বড় ঘটনায় দেশের সচেতন মহল প্রতিবাদী হলে প্রশাসন জড়িতদের লোকদেখানো গ্রেফতার করা হয়।

তারা বলেন, শুধু গ্রেফতার নয়, এসব ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার দীর্ঘসূত্রিতা পরিহার করে দ্রুত বিচার ও রায় কার্যকর নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে বিচার করতে না পারলে এই ঘৃণ্য প্রবণতা রুখে দেয়া যাবে না। অবিলম্বে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে ধর্ষক ও নিপীড়কদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা না গেলে এই অপরাধ প্রবণতা থামবে না। দেশের নারী সমাজকে সুরক্ষিত করতে হলে অবিলম্বে বিচারহীনতার সংস্কৃতির অবসান ঘটাতে হবে।

বক্তব্য দেন যুব ইউনিয়ন চট্টগ্রাম জেলার সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল শিকদার, ছাত্র ইউনিয়ন জেলার সভাপতি এ্যানি সেন, যুবনেতা শ্যামল লোধ, জাবেদ চৌধুরী, রাশিদুল সামির, ইমরান চৌধুরী, গৌরচাঁদ ঠাকুর অপু, মাহবুবা জাহান রুমি, আশরাফি নিতু, টিকলু কুমার প্রমুখ।

Single Sidebar Banner
  • সর্বশেষ
  • পঠিত