চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে সুপার প্রপার্টিজের চেয়ারম্যান ও ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলমের বাড়িতে প্রকাশ্যে গুলি চালিয়েছে সন্ত্রাসীরা। বুধবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। তবে তখন বাসায় কেউ ছিলেন না।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৮ থেকে ১০টি গুলির খোসা উদ্ধার করেছে। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। রাত পর্যন্ত কাউকে আটক করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম পুলিশকে জানিয়েছেন, ১৫ দিন আগে বিদেশি একটি নম্বর থেকে তাঁর মোবাইলে ফোন দিয়ে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। তিনি টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় এ হামলা চালানো হয়েছে বলে ধারণা করছেন।
এদিকে ব্যবসায়ীর বাড়ি লক্ষ্য করে দফায় দফায় গুলিবর্ষণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। জানা গেছে, জাহাঙ্গীরের ইটভাটা, আবাসন নির্মাণ প্রতিষ্ঠানসহ একাধিক ব্যবসা রয়েছে।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, দুটি মোটরসাইকেলে ছয় মুখোশধারী যুবক ঘটনাস্থলে আসে। তিনজনের হাতে ছিল পিস্তল। এর মধ্যে চারজন বাড়ির আঙিনায় প্রবেশ করে এবং তিনজন টানা ৮ থেকে ১০ রাউন্ড গুলি চালায়। পরে তারা নির্বিঘ্নে পালিয়ে যায়।
ঘটনার বিষয়ে হাটহাজারী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী মো. তারেক আজিজ বলেন, “বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অস্ত্রধারীদের শনাক্ত করে আটকের চেষ্টা চলছে।”
হাটহাজারী মডেল থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল কাউসার জানান, “সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। এগুলো বিশ্লেষণ করে অপরাধীদের শনাক্তে অভিযান চলছে।”
ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলমকে ফোনে পাওয়া যায়নি। তবে তাঁর বড় ভাই আবুল কালাম জানান, “ঘটনার সময় ঘরে কেউ ছিল না। পরিবারের সবাই ওমরাহ করতে সৌদি আরবে গেছেন।”
প্রত্যক্ষদর্শীদের ধারণা, আতঙ্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই দুর্বৃত্তরা ফাঁকা বাড়িতে গুলি চালিয়েছে।


