বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
Single Top Banner

মৃনাল আচ্যার্যের বিরুদ্ধে অসহায় পরিবারের দোকান দখলের অভিযোগ

আনোয়ার হোছাইন, ঈদগাঁও (কক্সবাজার) : 

কক্সবাজারের ঈদগাঁও বাজারে আওয়ামী দোসর মৃনাল আচার্য্যের বিরুদ্ধে ভাড়াটিয়া সেজে দোকান জবর দখলের অভিযোগ তুলেছে সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবার।

মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) বিকালে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলন লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী পরিবারে পক্ষে মৃদুল দে’র পুত্র ফিলিপ দে নিখেল দাবি করেন, ১৯৬২ সালে তার দাদা মৃত যতিন্দ্র মোহন দে জমিটি ক্রয় করেন রেজিষ্ট্রি যুক্ত সাফ কবলামূলে। উক্ত জমিতে থাকা দোকান তার দাদা, তার মৃত্যু পরবর্তী  ওয়ারিশরা  ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত নিজেরা ব্যবসা করে ভোগ দখলে থাকেন। পরে বিভিন্ন জনকে  ভাড়া দেন। সর্বশেষ ২০১৫ সালে একটি দোকানঘর নিজেরা রেখে অপর দুই টি মৃণাল আচার্য্যকে চুক্তিমূলে ভাড়া দেয়া হয়। সে ২০২০ সাল পর্যন্ত নিয়মিত ভাড়া প্রদান করে। ইত্যবসরে ২০১৯ সালে দোকান মালিক মৃদুল কান্তি দের অগোচরে তার নামে থাকা বিদ্যুৎ মিটারটি  ভাড়াটিয়া মৃণাল আচার্য্য গোপনে উঠিয়ে নিয়ে রাতারাতি তদস্থলে তার নামে নতুন মিটার স্থাপন করে।

এতে বলা হয়, এঘটনার পর প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে মৃণালের করা ভূয়া কাগজ সৃজনের বিষয়টিও প্রকাশ পায়। কিন্ত দোকান মালিক মৃদুল কান্তি দে কর্তক ২০১২ সাল থেকে বিএস সংশোধনী মামলা আদালতে চলমান থাকা অবস্থায় মৃনাল আচার্যের সৃজন করা ভুয়া কাগজটি পরে  মালিক পক্ষ আইনানুগ ভাবে বাতিলে সক্ষম হয় । তারপরও এ ভুমিখেকো মৃনাল চুক্তি মতে ভাড়া না দিয়ে জায়গাটি তার দাবি করে দোকান ঘর গুলো এ পর্যন্ত অবৈধ ভাবে জবরদখল করে আছে। মালিক পক্ষ দোকান ছেড়ে দিতে বললে বিগত সরকারের সময়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের পদ ও টাকার দাপটে মালিককে মারধর ও তার ভাই ও স্বজনদের দিয়ে টাকার বিনিময়ে উল্টো মালিক পক্ষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে আসছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও দাবি করা হয়, তখন থেকে অধ্যাবদি ইউনিয়ন পরিষদ, থানা, আদালত, ঈদগাঁও বাজার ব্যবসায়ী পরিচালনা পরিষদসহ বিভিন্ন দফতরে বিচার দিলে তারা কাগজপত্র যাচাই করে মৃদুল কান্তি দে গংয়ের পক্ষে রায় দেন। কিন্তু তৎকালিন স্বৈরাচার আওয়ামীলীগের প্রভাব খাটিয়ে দোকানটি মালিকের কাছে হস্তান্তর করেনি দখলদার মৃণাল কান্তি দে।  এ পর্যন্ত কোন সুরাহা না পাওয়ায়  দোকানঘর গুলো মালিকপক্ষ ফিরে পেতে  সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিকট সুবিচার  দাবী করেন ভুক্তভোগীরা।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মৃদুল কান্তি দের চাচী বানি বালা দে, স্ত্রী গীতা রানী দে, ভাই দয়াল দে, তার স্ত্রী নিপু রানি দে, ভাই রূপন দে, অজিদ দে তার স্ত্রী চিনু রানী দে, পুত্র ফিলিপ দে ও তার স্ত্রী পুজা রানী দে।
উল্লেখ্য, ভাড়াটিয়া চুক্তিমুলে আদালতে একটি মামলাও চলমান রয়েছে।

Single Sidebar Banner
  • সর্বশেষ
  • পঠিত