চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের প্রার্থিতার বয়সসীমায় ৩০ বছরের বিধান বাতিল করা হয়েছে। সংশোধিত গঠনতন্ত্রে বয়স সীমা রাখা হয়নি।
চাকসু নির্বাচন সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে দেওয়া সংশোধিত গঠনতন্ত্রের ৩নং ধারার সদস্যপদ অংশের ক উপ-ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল নিয়মিত শিক্ষার্থী, যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আবাসিক হলে অবস্থান করছেন বা হলের সাথে সংশ্লিষ্ট এবং যারা দাপ্তরিকভাবে বার্ষিক সদস্যপদ ফি প্রদান করেছেন, তারা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের সাধারণ সদস্য তথা ভোটার হিসেবে গণ্য হবেন।’
যেখানে পূর্বের গঠনতন্ত্রের একই ধারার ক উপ-ধারায় উল্লেখ ছিল ‘বয়স ৩০ বছরের অধিক না হলে তারা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের সাধারণ সদস্য তথা ভোটার হিসেবে গণ্য হবেন; এবং খ উপ-ধারায় ছিল নির্বাচনে অংশ নেয়া কিংবা সদস্যপদ লাভে আগ্রহীদের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩০ বছর।’
সেখানে পরিবর্তন আনা হয়েছে নতুন গঠনতন্ত্রে। এদিকে গঠনতন্ত্রে মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক পদ সংযুক্তের দাবি করেছেন ছাত্র সংগঠনগুলো ও শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি মুক্তিযুদ্ধ ও সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য। তাই এই পদ অবশ্যই সংযুক্ত করা জরুরী।
শাখা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, আমরা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক পদটির অন্তর্ভুক্তি চাই। আর বয়সসীমার বিষয়টি অফিসিয়াল ভাবে আসার পর মন্তব্য করলে ভালো হবে।
শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোহাম্মদ আলী বলেন, আমরা মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন এই পদটি সংযুক্তের পক্ষে। আমরা আগেও আমাদের প্রস্তাবনায় এই পদটি রেখেছিলাম। এছাড়া আমরা কিছু কম গুরুত্বপূর্ণ সহ-সম্পাদক পদ বাতিল করে গুরুত্বপূর্ণ সম্পাদক পদ সংযুক্তেরও দাবি করেছিলাম। আর যে বয়সসীমা তুলে দেওয়া হয়েছে আমরা এর বিপক্ষে। আমরা চাই শুধুমাত্র চলমান শিক্ষার্থীরাই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক।
এবিষয়ে জানতে চাইলে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন বলেন, মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক পদ সংযুক্তের যে দাবি, তার সাথে আমি একমত। আমরা শিক্ষার্থীদের নিয়ে বসবো। তাদের সকল যৌক্তিক দাবির প্রতি আমাদের সমর্থন রয়েছে। আর নতুন গঠনতন্ত্রে বয়সসীমা উঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।


