স্থানীয়দের হামলার ঘটনায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে চবি প্রশাসন দাবি করে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে ছাত্রদলসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি ছাত্রসংগঠন। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও প্রক্টরিয়াল বডির পদত্যাগের দাবি তুলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল।
মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবী চত্বরে কর্মসূচি পালন করে ছাত্রদল। একইসাথে বিশ্ববিদ্যালয় জিরো পয়েন্টে বেলা ১২ টায় উপচার্য এবং প্রক্টরিয়াল বডির পদত্যাগের দাবি সহ আরো চার দফা দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি ছাত্র সংগঠন।
এসময় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি আলাউদ্দিন মহসিন বলেন, বর্তমান প্রশাসন শিক্ষার্থীদের তেমন কোন আশা ই পূরণ করতে পারেনি। না পেরেছে আবাসন নিশ্চত করতে আর না নিরাপদ খাবার দিতে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এখন হুমকির মুখে। আমরা এই ব্যর্থ প্রশাসনের পদত্যাগের দাবিতে এখানে অবস্থান নিয়েছি। এ প্রশাসনের অব্যাহতি না হওয়া পর্যন্ত আমরা এই দাবি চালিয়ে যাব।
বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের আহ্বায়ক মুনতাসির মাহমুদ বলেন, জোবরা বাসী এর জন্য আমি বলতে চাই। আপনারা যাদের সুরক্ষা দিচ্ছেন। আমরা যখন সংঘর্ষের মধ্যে ছিলাম তখন আর্মি এসেছে তিন থেকে চার ঘণ্টা পরে। এতগুলো শিক্ষার্থী যে আহত হলো এই দায় তো অবশ্যই প্রশাসনের নিতে হবে। প্রশাসন আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার ব্যবস্থা ও করতে পারেনি। আমরা কয়েকজন উদ্যোগ নিয়ে এম্বুলেন্স এর ব্যবস্থা করতে পারিনি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যে বলছে আমার মতন তুচ্ছ ব্যক্তিকে কল দিয়েছে এর দায় তো অবশ্যই প্রশাসনের নিতে হবে। আমরা আজকে আমাদের ভাইদের রক্ত ঝরেছে, আমরা সেই দাবি নিয়ে এখানে দাঁড়িয়েছি।
বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি জসদ জাকির বলেন, আমাদের পাঁচ দফা দাবি নিয়ে জিরো পয়েন্টে অবস্থান করি। আমাদের দাবি প্রশাসন আহত শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার সহিত সুচিকিৎসা দিতে হবে। এক নম্বর গেটে ক্রসিং এ এবং দুই নম্বর গেটে সিসিটিভি এর আওতায় আনতে হবে, নারী শিক্ষার্থীরা যে হুমকির মুখে পড়ছে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যদি দায় নিতে না পারে তাহলে তাদের অবিলম্বে পদত্যাগ এর দাবি জানাচ্ছি আমরা।


