বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
Single Top Banner

চবি উপাচার্য ও প্রক্টরের পদত্যাগ দাবি গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের

নিজস্ব প্রতিবেদক :

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয় সন্ত্রাসীদের সংঘর্ষের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চরমভাবে ব্যর্থ হওয়ায় উপাচার্য ও প্রধান প্রক্টরের পদত্যাগ দাবি করেছে শাখা গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট। এ দাবিসহ মোট ৬ দফা দাবি তুলে ধরে এক সংবাদ সম্মেলন করেছে সংগঠনটি।

মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ঝুপড়িতে সংবাদ সম্মেলন করে সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন শাখা গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের সংগঠক ধ্রুব বড়ুয়া। এসময় উপস্থিত ছিলেন- শাখা বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি জশদ জাকির, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুদর্শন চাকমা, শাখা বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সহ-সাধারণ সম্পাদক উম্মে সাবাহ তাবাসসুম এবং প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোশরেফুল হক রাকিব।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নেতৃবৃন্দ বলেন, গত ৩১ আগস্ট রাত সাড়ে ১১টার দিকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষার্থীর উপর বাসার দারোয়ানের হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে হামলাকারীর বিচার দাবিতে শিক্ষার্থীরা ওই বাসার সামনে জড়ো হয়। এসময় দারোয়ানকে প্রক্টরিয়াল বডির কাছে সোপর্দ করতে চাইলে স্থানীয়রা বাধা প্রদান করে এবং ফৌজদারী অপরাধকে সামাজিকভাবে মীমাংসার প্রহসনমূলক চেষ্টা চালায়। এক পর্যায়ে কথা কাটাকাটির জেরে আইন বিভাগের ২০-২১ সেশনের শিক্ষার্থী ইমতিয়াজ তন্ময়ের উপর হামলা চালিয়ে তাকে রক্তাক্ত করা হয়।

নেতৃবৃন্দ আরও অভিযোগ করেন, এসময় বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোশরেফুল হক রাকিবসহ শিক্ষার্থীরা বারবার প্রক্টরিয়াল বডিকে কল দিলেও তারা সাড়া দেননি। শুধুমাত্র সহকারী প্রক্টর নূরুল হামিদ কানন জানান, স্ত্রী অসুস্থ থাকায় তিনি হাসপাতালে অবস্থান করছেন। বারবার কলের পর প্রধান প্রক্টর তানভীর হায়দার আরিফও কখনো মিটিংয়ে আছি বলেন, আবার কখনো বিস্তারিত জানতে চান। কিন্তু শিক্ষার্থী আহত ও স্থানীয়দের সঙ্গে সংঘর্ষ চলমান থাকা সত্ত্বেও তার নির্লিপ্ত অবস্থান দায়িত্বহীনতার উদাহরণ বলে উল্লেখ করেন তারা।

গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের ৬ দফা দাবি। দাবিসমূহ হলো : সুস্থ পরিবেশে শিক্ষার্থীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিতকরণ ও সমস্ত ব্যয়ভার প্রশাসনকে গ্রহণ করতে হবে। জোবরার স্থানীয় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কার্যকর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে অতিদ্রুত বিচার নিশ্চিতকরণ। অতিদ্রুত ক্যাম্পাসের ভেতর ই-কারের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং ক্যাম্পাস থেকে ১ নং ও ২ নং গেট অব্দি চক্রাকার বাস চালু করা। স্থানীয়দের থেকে শিক্ষার্থীদের শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে শতভাগ আবাসনের রোডম্যাপ ও আবাসন ভাতা ভাতা চালু করা। ১ নং ও ২ নং গেট এবং ১ নং রেলক্রসিং ও ২ নং রেলক্রসিং-এ জোরালো নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা দিতে চরমভাবে ব্যর্থ হওয়ায় ক্ষমা চেয়ে উপাচার্য ও প্রধান প্রক্টরের পদত্যাগ।

Single Sidebar Banner
  • সর্বশেষ
  • পঠিত