বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
Single Top Banner

ইসকন নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ ১৬৪ জনের বিরুদ্ধে আরও এক মামলার আবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র ও ইসকন নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ ১৬৪ জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলার আবেদন করা হয়েছে। এ মামলায় আরও ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

রোববার (৮ ডিসেম্বর) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবু বকর সিদ্দিকের আদালতে এনামুল হক নামের এক ব্যবসায়ী বাদী হয়ে এ মামলার আবেদন করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে মামলাটি আদেশের জন্য অপেক্ষমান রেখেছেন।

বাদীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট শামসুল আলম বলেন, গত ২৬ নভেম্বর এনামুল হক আদালত প্রাঙ্গণে চিন্ময় কৃষ্ণের অনুসারীদের দ্বারা মারধরের শিকার হন। দাড়ি-টুপি থাকায় সেদিন তার ওপর হামলা করা হয়। এ ঘটনায় চিন্ময় কৃষ্ণদাস ব্রহ্মচারীসহ ১৬৪ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৪০০ থেকে ৫০০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে হত্যাচেষ্টার মামলার আবেদন করা হয়েছে। আদালত বাদীর বক্তব্য শুনে আবেদনটি আদেশের জন্য অপেক্ষমাণ রেখেছেন।

মামলার আবেদনে বাদী উল্লেখ করেন, গত ২৬ নভেম্বর তিনি জমি রেজিস্ট্রির কাজে আদালতে যান। সেখান থেকে বাসায় ফেরার পথে চিন্ময় কৃষ্ণ ব্রহ্মচারীর অনুসারীরা ‘একটা দুইটা মুসলিম ধর, ধরে ধরে জবাই কর’ বলে স্লোগান দিচ্ছিলেন। বাদীর পরনে পাঞ্জাবি এবং টুপি থাকায় ‘মোল্লাকে জবাই কর’ বলে তার ওপর হামলা করে বিক্ষোভকারীরা। হামলায় তিনি তার ডান হাতে আঘাতপ্রাপ্ত হন এবং মাথায় কিরিচ দিয়ে কোপ দেওয়া হয়। এরপর আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।

গত ২৬ নভেম্বর রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় জামিন নাকচ করে সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র ও ইসকন নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন চট্টগ্রামের ষষ্ঠ মহানগর হাকিম কাজী শরীফুল ইসলাম। ওই আদেশের পর আদালত প্রাঙ্গণে প্রিজন ভ্যান ঘিরে বিক্ষোভ করেন তার অনুসারীরা। পরে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়।

এসময় বিক্ষোভকারীরা আদালতপাড়াসহ আশপাশের এলাকায় ব্যাপক তাণ্ডব চালান। হামলা করে রঙ্গম কনভেনশন হল সড়কে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পুলিশ ভিডিও ফুটেজ দেখে হত্যাকারীদের চিহ্নিত করেছে। এসব ঘটনায় একটি হত্যাসহ ছয়টি মামলা করা হয়। এরই মধ্যে নতুন করে এ মামলাটির আবেদন করা হয়েছে। মামলাগুলোর মধ্যে তিনটি মামলা করেছে পুলিশ।

আইনজীবী সাইফুল ইসলামকে হত্যার ঘটনায় নিহতের বাবা জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে চট্টগ্রাম কোতয়ালি থানায় ৩১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১০-১৫ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। ওই মামলার ১নং আসামি চন্দন। এ মামলায় পুলিশ ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে।

Single Sidebar Banner
  • সর্বশেষ
  • পঠিত