বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও নির্বাহী পরিষদ সদস্য জননেতা মুহাম্মদ শাহজাহান বলেছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে উৎসবমুখর ও অংশগ্রহণমূলক করতে হলে অবিলম্বে জামায়াতসহ সব রাজনৈতিক দলের ঘোষিত জাতীয় দাবিগুলো মেনে নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ একটি সুন্দর, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চায়। এজন্য পিআর (প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতি একটি চমৎকার ব্যবস্থা, যা কালোটাকার প্রভাবমুক্ত ও সন্ত্রাসমুক্ত নির্বাচনের বিকল্প।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে। ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারে—এমন শঙ্কামুক্ত পরিবেশ তৈরিতে সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে প্রয়োজনীয় সংস্কার আনতে হবে। পাশাপাশি পলাতক ফ্যাসিস্ট ও তার দোসরদের কার্যকর বিচার সম্পন্ন করতে হবে। ছাত্রজনতার কাঙ্ক্ষিত জুলাই সনদকে আইনগত মর্যাদা দিয়ে সেই ভিত্তিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে চট্টগ্রাম-১৬ বাঁশখালী সংসদীয় আসনের উদ্যোগে চট্টগ্রাম শহরে অবস্থানরত সদস্যদের (রুকন) নিয়ে আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও সংসদীয় আসনের পরিচালক অধ্যক্ষ মাওলানা বদরুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমীর জননেতা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমীর জননেতা আনোয়ারুল আলম চৌধুরী এবং চট্টগ্রাম-১৬ বাঁশখালী আসনের মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী জননেতা অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে নজরুল ইসলাম বলেন, আগামী নির্বাচনে অধ্যক্ষ জহিরুল ইসলামকে বিজয়ী করতে ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে জনমত গঠন করতে হবে। এজন্য সবাইকে আর্থিক কুরবানি ও কঠোর পরিশ্রমের প্রস্তুতি নিতে হবে।
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমীর আনোয়ারুল আলম চৌধুরী বলেন, “দুই শহীদের রক্তস্নাত বাঁশখালীকে ইসলামের বিজয়ের ময়দানে পরিণত করতে হবে। ইসলামী আন্দোলনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও প্রপাগান্ডা রাজনৈতিক ও নৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে হবে।”
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ও আসন কমিটির সদস্য সচিব এডভোকেট মোহাম্মদ আবু নাছেরের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বাঁশখালী উপজেলা জামায়াতের আমীর জননেতা অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ ইসমাইল, চট্টগ্রাম মহানগরী শুরা সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা জাকের হোসাইন, সাবেক ছাত্রনেতা হামেদ হাসান ইলাহী, মাওলানা আরেফে জামী, ইঞ্জিনিয়ার শহীদুল মোস্তাফা, অধ্যক্ষ জাকের হোসাইন, মাওলানা নুরুল আলম, মোখতার হোসাইন সিকদার, মাওলানা মহিউদ্দিন, মাওলানা ফজলুল কাদের, মাওলানা মফিজুল হক, সাদুর রশিদ, বেলাল হাসান ও মাওলানা আহসান উল্লাহ প্রমুখ।


