আসন্ন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নির্বাচনে নাটকীয় মোড় এনে দিলেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। সরকারি হস্তক্ষেপ ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে বুধবার (১ অক্টোবর) সকালে নিজের পুরো প্যানেলসহ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন তিনি। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন সকাল সোয়া ১০টার দিকে বিসিবি কার্যালয়ে এসে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থিতা তুলে নেন এই তারকা ক্রিকেটার।
ক্লাব ক্যাটাগরি-২ থেকে পরিচালক পদে লড়ছিলেন তামিম। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন প্যানেলের অন্য সদস্যরা— রফিকুল ইসলাম বাবু, মাসুদুজ্জামানসহ আরও কয়েকজন। তারা রিটার্নিং অফিসারের কাছে গিয়ে সম্মিলিতভাবে নিজেদের প্রার্থিতা প্রত্যাহারপত্র জমা দেন।
সংবাদমাধ্যমকে তামিম ইকবাল বলেন, “নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সরকারি হস্তক্ষেপ ও বেশ কিছু ক্লাবকে কাউন্সিলরশিপ না দেওয়ার কারণে আমরা হতাশ। এ জন্যই পুরো প্যানেল মিলে নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”
এই নাটকীয় সিদ্ধান্তের পেছনে মূল কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে মঙ্গলবার হাইকোর্টের দেওয়া এক আদেশকে। সাবেক প্রধান নির্বাচক ফারুক আহমেদের করা এক রিটের শুনানিতে আদালত তৃতীয় বিভাগ থেকে আসা ১৫টি ক্লাবের কাউন্সিলরশিপ স্থগিত করেন। এরপর থেকেই তামিমের নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর জোর গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে।
কাউন্সিলর হওয়ার পর থেকেই বিসিবির নানা কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে আসছিলেন তামিম। নির্বাচনে জয়ী হলে সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ার ইচ্ছার কথাও প্রকাশ করেছিলেন তিনি। তবে শেষ পর্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিজেকে লড়াইয়ের বাইরে রাখলেন দেশের অন্যতম সফল এই ওপেনার।
বিসিবির রিটার্নিং অফিসার সূত্রে জানা গেছে, আজ (বুধবার) দুপুর ২টায় প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। আগামী ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে ভোটগ্রহণ।


