চট্টগ্রামের রাউজানে আবারও প্রকাশ্যে দুর্বৃত্তের গুলিতে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। শনিবার (২৫ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার পৌরসভার রশিদারপাড়া সড়কে তাকে গতিরোধ করে দুর্বৃত্তরা গুলি করে পালিয়ে যায়। নিহত ব্যক্তির নাম মো. আলমগীর ওরফে আলম (৫০)। সে রাউজান পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের পূর্ব রাউজানের সিদ্দিক চৌধুরী বাড়ির মো. আবদুস সত্তারের ছেলে।
স্থানীয়রা বলছেন, নিহত আলমগীর ওরফে আলম বিএনপির অঙ্গ সংগঠন যুবদলের কর্মী। তবে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সহসভাপতি সাবের সুলতান কাজল জানিয়েছেন, ‘নিহত আলমগীর ওরফে আলম যুবদলের কেউ নয়। তিনি এলাকায় আলম ডাকাত হিসেবে পরিচিত। তবে এ ঘটনা যে বা যারা ঘটিয়েছে তাদেরকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।
রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, আলমগীর ওরফে আলম নামে এক ব্যক্তির গুলিবিদ্ধ লাশ একটি সড়কের পাশ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাকে কে বা কারা গুলি করে পালিয়ে গেছে। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। লাশ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে।
জানা গেছে, নিহত আলমের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। সে ২০০৩ সালে র্যাবের সঙ্গে ক্রসফায়ারে রাউজানে এক সঙ্গে শীর্ষ সন্ত্রাসী জানে আলম বাহিনীর প্রধন জানে আলমসহ ১১ জন নিহত হন। জানে আলম বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে পরিচিত ছিল আলম। সে একটি অস্ত্র মামলায় ১০ বছর কারাভোগ করেছে। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
উল্লেখ্য, রাউজানে ৫ আগস্টের পর ১৭টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এরমধ্য ১২টি হত্যাকাণ্ড রাজনৈতিক কারণে ঘটেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।


