বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
Single Top Banner

চট্টগ্রাম চেম্বার নির্বাচন বানচালের প্রতিবাদে ‘সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদের’ মানববন্ধন

নির্বাচন বিলম্বকারীদের বিরুদ্ধে লাল কার্ড প্রদর্শন

নিজস্ব প্রতিবেদক :

চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (সিসিসিআই) নির্বাচন বিলম্ব ও নির্বাচন প্রক্রিয়া বানচালের অপচেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদ।

শনিবার সকালে আগ্রাবাদের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের সামনে এ কর্মসূচিতে অংশ নেন বিপুলসংখ্যক ব্যবসায়ী। এ সময় তারা নির্বাচনে বিঘ্নকারীদের বিরুদ্ধে লাল কার্ড প্রদর্শন করেন এবং দ্রুত ভোট আয়োজনের জোর দাবি জানান।

মানববন্ধন কর্মসূচি পরিচালনা করেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান জনাব শাহজাহান মহিউদ্দিন।

সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদের প্যানেল লিডার এস. এম. নুরুল হক বলেন,“হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী অবৈধ ট্রেড ও টাউন অ্যাসোসিয়েশন গ্রুপ বাদ দিয়ে অর্ডিনারি ও অ্যাসোসিয়েট শ্রেণির নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। কোনো ষড়যন্ত্র করে নির্বাচন বিলম্ব করা যাবে না। সাধারণ ব্যবসায়ীরা নিরপেক্ষভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে প্রস্তুত।”

তিনি আরও বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে আমরা নতুন উদ্যোমে স্বাধীন ও স্বচ্ছ চেম্বার গড়তে চাই। গত এক বছর ধরে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে নিয়ে ফ্যাসিবাদী প্রভাবমুক্ত চেম্বারের আন্দোলন করেছি। যারা দীর্ঘ ১৫ বছর ভুয়া ভোটার দিয়ে পরিবারতন্ত্র ও ব্যক্তিস্বার্থ রক্ষা করেছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত লড়াই করে ভুয়া ভোটার বাতিল করিয়েছি। এখন ফ্যাসিবাদের দোসররা নির্বাচন বানচালের চক্রান্তে নেমেছে; তা কোনোভাবেই সফল হতে দেওয়া হবে না।”

ব্যবসায়ী নেতারা বলেন, অবৈধ ট্রেড ও টাউন অ্যাসোসিয়েশন গ্রুপের ছয়জন বিনাভোটে নির্বাচিত প্রার্থীতা দুই সপ্তাহের মধ্যে বাতিল করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে। ব্যবসায়ীরা আর কোনো বিলম্ব মেনে নেবে না।

তারা আরও বলেন,“চেম্বারের নেতৃত্ব কে হবে, তা ব্যবসায়ীরাই ঠিক করবেন। টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপের মাধ্যমে অটো পরিচালক বানানোর পথ বন্ধ করতে হবে।”

সমাবেশ থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়— আগামী ১৫ দিনের মধ্যে হাইকোর্টের রুল নিষ্পত্তি করে নির্বাচন দিতে হবে। অন্যথায় চট্টগ্রামের সর্বস্তরের ব্যবসায়ীদের নিয়ে গণআন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

পাশাপাশি আগামীকাল রোববার আন্দরকিল্লা থেকে টেরিবাজার, চাক্তাই, খাতুনগঞ্জসহ বাণিজ্যিক এলাকাগুলোতে পদযাত্রা কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়।

ভোট না হওয়া পর্যন্ত ধারাবাহিক কর্মসূচি চলবে বলেও জানানো হয়।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন— মো. কামরুল হুদা, মোহাম্মদ আইয়ুব, মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, মোস্তাক আহমদ চৌধুরী, এস. এম. কামাল উদ্দিন, আহমেদ-উল আলম চৌধুরী (রাসেল), ইমাদ এরশাদ, জসিম উদ্দিন চৌধুরী, কাজী ইমরান এফ. রহমান, মো. আবচার হোসেন, মো. আরিফ হোসেন, মো. হুমায়ুন কবির পাটোয়ারী, মোহাম্মদ আজিজুল হক, মোহাম্মদ রাশেদ আলী ও মোহাম্মদ মুছাসহ অন্যান্য ব্যবসায়ী নেতারা।

Single Sidebar Banner
  • সর্বশেষ
  • পঠিত