চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী সরওয়ার হোসেন বাবলা গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহতের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। শুক্রবার (৭ নভেম্বর) সকালে চান্দগাঁও থানাধীন হাজিরপুল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলো- চান্দগাঁও থানাধীন হাজীরপুল এলাকার মৃত আবু তাহের এর ছেলে মো. আলাউদ্দিন (৩৫) ও একই এলাকার দোস্ত মোহাম্মদের ছেলে মো. হেলাল (৪০)। তারা দুইজনই অপর শীর্ষ সন্ত্রাসী ছোট সাজ্জাদের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।
র্যাব-৭ এর অধিনায়ক লে. কর্ণেল মো. হাফিজুর রহমান শুক্রবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে র্যাব-৭ এর মিডিয়া সেন্টার চান্দগাঁও ক্যাম্পে প্রেস ব্রিফিং-এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, গত ৫ নভেম্বর চট্টগ্রাম মহানগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন এলাকায় চট্টগ্রাম–৮ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও নগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ এর জনসংযোগ চলাকালীন সময় পূর্ববিরোধের জেরে একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী জনসংযোগের ভিতরে প্রবেশ করে সরওয়ার হোসেন বাবলা এর বুকে অস্ত্র ঠেকিয়ে গুলি করে পালিয়ে যায়। উক্ত ঘটনায় চট্টগ্রাম–৮ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এরশাদ উল্লাহসহ তিন জন গুলিবিদ্ধ হন। তিনজনকে হাসপাতালে নেওয়ার পর সরওয়ার হোসেন বাবলাকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকীদের গ্রেফতারে অভিযান চলমান আছে।
পঙ্গু রিকশা চালককে গুলির ঘটনায় গ্রেফতার ১
এদিকে, গত ৬ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামী এলাকায় রিকশা চালক মো. ইদ্রিসকে গুলি করে আহত করে একদল সন্ত্রাসী। র্যাব জানিয়েছে, মাদক ব্যবসায় বাঁধা দেওয়ার কারণে রিকশা চালককে গুলি করা হয়। এ ঘটনায় র্যাব এর অভিযানে মো. আরমান আলী রাজ (২৭) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব-৭ এর অধিনায়ক লে. কর্ণেল মো. হাফিজুর রহমান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাত ১২টা ১০ মিনিটে বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন রউফাবাদ আবাসিক এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সন্ত্রাসী মো. আরমান আলী রাজকে গ্রেফতার করা হয়।


