বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য, সাবেক চট্টগ্রাম মহানগর আমীর ও চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী আগামী জাতীয় নির্বাচন পরবর্তী সরকার গঠন করতে পারলে একটি কল্যাণকর, মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ে তুলবে। সুশাসন প্রতিষ্ঠা, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ই হবে তাদের অঙ্গীকার।
শনিবার (১৫ নভেম্বর) দুপুরে লোহাগাড়া চরম্বা ইউনিয়ন শাখা বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, দেশের উন্নয়নের প্রধান চালিকা শক্তি শ্রমিকরা তাদের পরিশ্রম দিয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখছেন। কিন্তু বাস্তবে তারা রাজনৈতিক নেতাদের কাছে যেতে পারেন না, বহু বাধা অতিক্রম করেও তাদের কাছে পৌঁছানো যায় না। ইসলামী শাসনব্যবস্থা না থাকায় শ্রমিকরা তাদের ন্যায্য সম্মান বঞ্চিত হচ্ছেন। জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠন করতে পারলে শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সর্বাত্মক কর্মযজ্ঞ চালাবে।
সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ ইসহাক, ফেডারেশনের চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সভাপতি মাওলানা নুরুল হোসাইন এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী লোহাগাড়া উপজেলা আমীর অধ্যাপক আসাদুল্লাহ ইসলামাবাদী।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন চরম্বা ইউনিয়ন শাখার সভাপতি হাফেজ জয়নুল আবেদীন। দারসুল কুরআন পরিচালনা করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী লোহাগাড়া উপজেলা সহকারী সেক্রেটারি জনাব মাওলানা ছলিম উল্লাহ। সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চরম্বা ইউনিয়নের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা মুহাম্মদ হাসান।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন, সাবেক কেন্দ্রীয় অর্থ-সম্পাদক বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের তাওহীদুল হক মিসবাহ, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কক্সবাজার জেলার সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ মহসীন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চরম্বা ইউনিয়নের আমীর মাওলানা শামসুল আলম হেলালি, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন লোহাগাড়া উপজেলার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মনির আহমদ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চরম্বা ইউনিয়ন শাখার সেক্রেটারি আহমদ হোসেন শিবলী, ফেডারেশনের চরম্বা ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ দেলোয়ার এবং অর্থ সম্পাদক নুর মোহাম্মদ।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন এবং বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরসহ উপজেলা ও ইউনিয়নের দায়িত্বশীল ও কর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


