বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
Single Top Banner

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে দুদকের অভিযান

চট্টগ্রাম নগরীর সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে (চসিক) অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তবে প্রাথমিক অনুসন্ধানে এই প্রকল্পে অর্থ আত্মসাৎ বা অনিয়মের তেমন কোনো প্রমাণ মেলেনি বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। কিন্তু চসিকের এলইডি বাতি স্থাপন প্রকল্পে কিছু অনিয়ম পেয়ে এ বিষয়ে আরও অনুসন্ধানের জন্য কমিশনের অনুমোদন চাওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

রোববার দুদকের একটি টিম চসিক কার্যালয়ে এ অভিযান চালায়। সেখানে কর্মকর্তাদের সঙ্গে দুদক কর্মকর্তারা সুনির্দিষ্ট বেশ কয়েকটি অভিযোগ নিয়ে কথা বলেন। যাচাই করা হয় নথিপত্র। এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন দুর্নীতি দমন কমিশন চট্টগ্রাম-১ এর উপ-পরিচালক মো. আবু সাঈদ।

দুদক সূত্রে জানা যায়, চসিকের সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পে বিভিন্ন দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। এক প্রতিষ্ঠানকে একাধিক কাজ দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে অভিযান চালানো হয়েছে। এ সময় বিগত বছর নগরের সৌন্দর্যবর্ধন সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়। সেটা প্রতিবেদন আকারে ঢাকায় পাঠানো হবে। এছাড়া অভিযানে চসিকের এলইডি বাতি স্থাপন প্রকল্পের নথিপত্রও যাচাই-বাছাই করেছেন দুদক টিমের সদস্যরা। তবে কমিশনের অনুমোদন না থাকায় এ সংক্রান্ত কোনো নথিপত্র তারা জব্দ করেননি।

দুর্নীতি দমন কমিশন চট্টগ্রাম-১ এর উপ-পরিচালক মো. আবু সাঈদ বলেন, সম্প্রতি দুদকের হটলাইন নম্বর ১০৬-এ চসিকের সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পে নানা অনিয়মের তথ্য আসে। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে রোববার চসিকের কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। ২০১৭ সাল থেকে চলতি বছর পর্যন্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সৌন্দর্যবর্ধনের চুক্তি ও নথিপত্র এবং ৪৪টি প্রতিষ্ঠানের তালিকা জব্দ করা হয়। প্রাথমিকভাবে নথিপত্রগুলো সেখানে যাচাই-বাছাই করা হয়। যেহেতু সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পের কাজ সিটি করপোরেশন করে না, সুতরাং এক্ষেত্রে অর্থ আত্মসাতের সুযোগ নেই। অনিয়মের কোনো প্রমাণও পাওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পে অনিয়ম না পেলেও এলইডি প্রকল্পে কিছু অনিয়মের তথ্য প্রমাণ পেয়েছি। আমরা কমিশনের কাছে এ ব্যাপারে আরও বিশদ অনুসন্ধানের সুপারিশ করব।

Single Sidebar Banner
  • সর্বশেষ
  • পঠিত