সরকারি কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ ভাতা ২০ থেকে ৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই নতুন ভাতার হার কার্যকর করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অধীনস্থ প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে যারা প্রশিক্ষণ নেবেন তাদের জন্য এ ভাতা প্রযোজ্য হবে।
নতুন নিয়মে ৯ম গ্রেড বা তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অবস্থানকালীন ভাতা হবে ৮০০ টাকা, যা আগে ছিল ৬০০ টাকা। মাঠসংযুক্ত প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে এ গ্রেডের ভাতা বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা করা হয়েছে, যা আগে ছিল ৭০০ টাকা। অন্যদিকে ১০ম গ্রেড বা তার নিচের কর্মচারীদের ভাতা যথাক্রমে ৬০০ ও ৭০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগে ছিল ৫০০ ও ৬০০ টাকা।
এর আগে গত আগস্টে বিষয়ভিত্তিক অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণের বক্তা সম্মানী ও প্রশিক্ষণ ভাতার হারও পুনর্নির্ধারণ করে সরকার। তখন প্রশিক্ষণার্থীদের ভাতা দ্বিগুণ করা হয় এবং প্রশিক্ষকদের ভাতা বেড়ে যায় সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত।
প্রশিক্ষণ ভাতার পাশাপাশি জুলাই থেকে সরকারি কর্মচারীদের মূল বেতনের ওপর ১০ থেকে ১৫ শতাংশ বিশেষ সুবিধা দেয়া হয়েছে। কর্মরত ব্যক্তিদের জন্য এই বিশেষ সুবিধার ন্যূনতম পরিমাণ ধরা হয়েছে ১ হাজার ৫০০ টাকা, আর পেনশনভোগীদের জন্য ৭৫০ টাকা।
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাবি, প্রশিক্ষণকালীন আর্থিক সহায়তা বৃদ্ধির এ উদ্যোগ পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের আগ্রহ বাড়াবে।


