নিজস্ব প্রতিবেদক :
মিথ্যা ও অসত্য তথ্য সরবরাহ ও প্রচারের অভিযোগে প্রবাসী সাংবাদিক ইলিয়াস হোসাইন পুলিশের সাবেক এসপি বাবুল আক্তারসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার (এসপি) নাইমা সুলতানা।
বুধবার (১৯ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করে খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সন্তোষ কুমার চাকমা সিটিজি পোস্টকে জানান, গত সোমবার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে থানায় এ মামলা করেন পিবিআইয়ের চট্টগ্রাম পুলিশ সুপার।
মামলায় বাবুল আক্তারের ভাই হাবিবুর রহমান লাবু ও তার বাবা আব্দুল ওয়াদুদ মিয়াকেও আসামি করা হয়েছে।
সম্প্রতি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মিতু হত্যা মামলার তদন্ত নিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন প্রবাসী সাবেক সাংবাদিক ইলিয়াস হোসাইন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত সেই ভিডিওতে বনজ কুমার মজুমদার ছাড়াও নাইমা সুলতানার বিরুদ্ধেও নানান অভিযোগ আনা হয়।
সেই ভিডিওতে বলা হয়েছে, এই মামলায় বাবুল আক্তারকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ফাঁসিয়েছেন পিবিআই প্রধান বনজ কুমার। এছাড়াও তাকে রিমান্ডে নির্যাতনও করা হয়েছে। মিথ্যা সাক্ষী সাজানোর অভিযোগও রয়েছে।
ইলিয়াসের ভিডিও প্রচারের পর গত ২৭ সেপ্টেম্বর পিবিআই প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি বনজ কুমার মজুমদারের পক্ষে ধানমন্ডি থানায় ইলিয়াস ও বাবুল, তার বাবা ও ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন পিবিআই ঢাকা মেট্রো উত্তরের পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম। পরে এটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়।
বুধবার রাতে খুলশী থানার ওসি সন্তোষ চাকমা বলেন, খুলশী থানায় দায়ের করা মামলায়ও পিবিআই প্রধানের মামলার মতোই অভিযোগ আনা হয়। চারজনের নাম উল্লেখ করে মামলাটি দায়ের করা হয়।
প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরের জিইসি মোড়ে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তদের গুলি ও ছুরিকাঘাতে খুন হন বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বাবুলকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠায় পিবিআই। সেই থেকে কারাগারে আছেন তিনি। সম্প্রতি এ মামলায় বাবুলসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পিবিআই।


