বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
Single Top Banner

কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সহযোগীতায় দেশে জঙ্গিবাদ নির্মূল করা সম্ভব হয়েছে

পটিয়া প্রতিনিধিঃ

“কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মূলমন্ত্র শান্তি শৃঙ্খলা সর্বত্র” এই স্লোগানে পালিত হয়েছে কমিউনিটি পুলিশিং ডে-২০২২। এ উপলক্ষে শনিবার (২৯ অক্টোবর) পটিয়া থানা পুলিশের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও এক র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়।

র‍্যালিটি পটিয়া থানা চত্বর থেকে শুরু হয়ে পোস্ট অফিস মোড়, ছবুর রোড হয়ে এসে থানা চত্বরে শেষ হয়।

র্যারি পূর্ববর্তী আলোচনা সভা পটিয়া থানা পরিদর্শক (ওসি) রেজাউল করিম মজুমদারের সভাপতিত্বে ও পরিদর্শক (তদন্ত) রাশেদুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পটিয়া পৌর মেয়র মো. আইয়ুব বাবুল , পটিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারিক রহমান।

এসময় আরো বক্তব্য রাখেন, ক্রসিং হাইওয়ে পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) স্নেহাংশু বিকাশ সরকার, পটিয়া ট্রাফিক পুলিশ পরিদর্শক হাবিব হাসান, কালারপুল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ,নকেলিশহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সরোজ কান্তি সেন নান্টু, ধলঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রনবীর ঘোষ টুটুন, কাউন্সিলর রুপক কুমার সেন, গোফরান রানা, সরোয়ার কামাল রাজিব, সেকেন্ড অফিসার উপ-পরিদর্শক আহসান হাবিব, ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম সহ আরো অনেকেই।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, জনগণ যেন গুজবে বিভ্রান্ত না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রেখেই কমিউনিটি পুলিশ সদস্যদের কাজ করতে হবে। যেকোনো তথ্য জানার সঙ্গে সঙ্গে তা যাচাই করে দেখুন। কমিউনিটি পুলিশের সহযোগিতায় দক্ষতার সঙ্গে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে যাচ্ছে পুলিশ। এজন্য দেশে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।

বক্তারা বলেন, কমিউনিটি পুলিশিং একটি গ্লোবাল কনসেপ্ট। বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশে কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম রয়েছে। তবে বাংলাদেশের কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমটা একটু ভিন্ন। জনগণ ও পুলিশের একাত্মতায় সোনার বাংলাদেশ গড়তে সাহায্য করবে। জাতিসংঘের স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী একটি দেশের ৪০০ জন জনগণের সেবায় একজন পুলিশ। সেখানে আমাদের দেশে প্রতি ৮০০ জনের সেবায় একজন পুলিশ কাজ করছে। এজন্য পুলিশি সেবায় জনগণের সহযোগিতা অত্য নাটক, কবিতা ও কথার মাধ্যমে সমাজকে যেভাবে প্রভাবিত করা যায়, তা লাঠি দিয়ে করা সম্ভব নয়। সমাজের সবাইকে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করতে হবে। সন্তানদের খেলাধুলায় যুক্ত করতে হবে। তা না করতে পারলে সন্তানদের মাদক, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ থেকে রক্ষা করা সম্ভব নয়।

Single Sidebar Banner
  • সর্বশেষ
  • পঠিত