নিজস্ব প্রতিবেদক :
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস বাঙালি জাতির জন্য ঐতিহাসিক দিন। ৭ নভেম্বর সিপাহী জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আবির্ভাব না হলে বাংলাদেশের গণতন্ত্র, বাকস্বাধীনতা এবং এই দেশে বহুদিনের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হতো না।
১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি অবিস্মরণীয় ঘটনা ছিল। কিন্তু মাত্র ৪৭ বছরের মধ্যেই সেই ইতিহাসকে এমনভাবে বিকৃত করা হয়েছে যে সত্যিকার ইতিহাসকেই মানুষ এখন ভুলে যেতে বসেছে। ঐতিহাসিক সত্য হলাে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামরিক অঙ্গনে যে অস্থির অবস্থা বিরাজ করছিল এবং ৩ নভেম্বর এর অভ্যুত্থানের ফলে সেটি আরাে জটিল রূপ লাভ করছিল। যার প্রেক্ষিতে ৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতার বিপ্লবের স্বাধীনতার ঘোষক, বীর উত্তম, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে এই দেশের দেশপ্রেমিক সিপাহী ও জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছিল।
তিনি সোমবার (৭ নভেম্বর) বিকালে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন হলে ডক্টর অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (ড্যাব), চট্টগ্রাম এর উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
ডা. শাহাদাত হোসেন আরো বলেন, মহান স্বাধীনতার ঘােষক, বীর উত্তম, জেড ফোর্সের অধিনায়ক এবং রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযােদ্ধা হিসেবে জেনারেল জিয়া সেনাবাহিনীতে খুবই জনপ্রিয় ছিলেন। ফলে ৩ নভেম্বর জেনারেল জিয়াকে পদচ্যুত করার ঘােষণা দিয়ে গৃহবন্দি করা হলে তার প্রতি সিপাহীদের সহানুভূতি এবং গৃহবন্দি করায় তীব্র ক্ষোভে রূপান্তরিত হয়। ৭ নভেম্বর সিপাহী জনতা জেনারেল জিয়াকে বন্দীদশা থেকে মুক্ত করে জনতার কাতারে নিয়ে আসেন।
ডা. শাহাদাত হোসেন আরো বলেন, আজ যারা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে নিয়ে কথা বলেন, যিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে রণাঙ্গনের যুদ্ধ করে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত হয়েছিল। তিঁনি নাকি মুক্তিযোদ্ধা নন। এই ধরনের প্রশ্নে এই দেশের মুক্তিযুদ্ধরা ও পুরো জাতি লজ্জিত হয়। ইতিহাস বিকৃত করে এবং মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে কেউ বেশিদিন টিকে থাকতে পারে নাই। এই সরকারও পারবেনা। মিথ্যাচার করে এদেশের মানুষের অন্তর থেকে কোনদিন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়ার রহমানের নাম মুছে ফেলা যাবে না।
৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ডা. কাজী মাহবুব আলমের সভাপতিত্বে সদস্য সচিব, ডা. মিনহাজুল আলমের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ডা. শাহাদাত হোসেন,বিশেষ অতিথি উপস্থিত ছিলেন ড্যাব, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ শাখার সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোঃ জসিম উদ্দিন,ড্যাব, চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি,অধ্যাপক ডা. মোঃ আব্বাস উদ্দীন,বক্তব্য রাখেন ড্যাব, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদক, ডা. ফয়েজুর রহমান,ড্যাব, চট্টগ্রাম জেলার সাধারণ সম্পাদক,ডা. বেলায়েত হোসেন ঢালী,ড্যাব, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক,ডা. এস এম সারোয়ার আলম, ড্যাব, চট্টগ্রাম এর সহ-সভাপতি,ডা. শেখ মুজিবুর রহমান, অধ্যাপক ডা. ময়নাল হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক, ড্যাব, চট্টগ্রাম ডা. রানা চৌধুরী,ড্যাব, চট্টগ্রাম মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক,ডা.ইফতেখার মোঃ আদনান, দপ্তর সম্পাদক, ড্যাব ,চমেক শাখার ডা. সাইফুদ্দীন সোহাগ,ড্যাব, চট্টগ্রাম জেলার দপ্তর সম্পাদক,ডা. মোঃ মইনুদ্দীন, ড্যাব, মহানগর বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক,ডা. ওমর ফারুক পারভেজ,প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক, ডা. মোনায়েম ফরহাদ,
প্রচার সম্পাদক, ড্যাব ডা. সাদ্দাম হোসেন, ড্যাব, চমেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক, ডা. মেহেদী হাসান, ডা. তারেকুল ইসলাম, ডা. গিয়াস উদ্দীন নয়ন, আরও উপস্হিত ছিলেন, ডা. মোঃ আবুল কালাম, উপদেষ্টা, ড্যাব,ডা. জামাল উদ্দিন,ডা. এনামুল হক,ডা. ইয়াসিন আরাফাত,ডা. আহমদ উল্লাহ চৌধুরী প্লেজার, ডা. আতাউর রহমান সোহাগ,ডা. রিয়াসাত শাহাবুদ্দিন, ডা. মামুনুল হক,ডা. মাহমুদুল হাসান প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।


