বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
Single Top Banner

বাণিজ্য সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার -বাণিজ্য উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছেন, সরকার আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বৃদ্ধিসহ বাণিজ্য সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে। দ্বি-পাক্ষিক বাণিজ্যে যতগুলো দেশের সাথে সংযুক্ত হওয়া সম্ভব ততগুলো দেশের সাথে আমরা সংযুক্ত হওয়ার চেষ্টা করছি। তিনি বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সহযোগিতার ভিত্তিতে দ্বি-পাক্ষিক বাণিজ্য বাড়ানো হবে।

উপদেষ্টা আজ শুক্রবার (২২ আগস্ট) চট্টগ্রামের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার এর হল রুমে চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি আয়োজিত “মিটিং উইথ জাম কামাল খান ও শেখ বশিরউদ্দীন” শীর্ষক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির (সিসিসিআই) প্রশাসক মোহাম্মদ আনোয়ার পাশা এর সভাপতিত্বে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (ডাব্লিউটিও) ড. নাজনীন কাওসার চৌধুরী, বিভাগীয় কমিশনার ড. মো: জিয়াউদ্দিন , পাকিস্তান হাইকমিশনের ট্রেড ইনভেস্টমেন্ট অ্যাটাচে জাইন আজিজ , সিসিসিআই এর সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এম এ সালাম,সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এরশাদ উল্লাহ, বাংলাদেশ স্টিল রি রোলিং মিলস লিমিটেড এর চেয়ারম্যান আলী হোসাইন আকবর আলী প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।

ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ চট্রগ্রামের সাথে করাচির সরাসরি বিমান পরিবহন ও সামুদ্রিক জাহাজে পণ্য পরিবহন চালু করা এবং শীপ বিল্ডিং খাতে সহযোগিতার মাধ্যমে দুই দেশের বাণিজ্য বৃদ্ধির আহবান জানান। এর মাধ্যমে দুদেশের বাণিজ্য সম্পর্ক শক্তিশালী হবে এবং বাণিজ্য ঘাটতি কমবে বলে তারা অভিমত ব্যক্ত করেন।

পাকিস্তানের বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা দুদেশের মধ্যে শক্তিশালী সম্পর্ক গড়ে তুলতে আগ্রহী যার মধ্যে দিয়ে দুদেশের মানুষের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। আমরা আমাদের চ্যালেঞ্জ জানি, এবার আমাদের সামনে এগোতে হবে। তিনি বলেন, দুদেশের মানুষ একে অপরকে জানে, একে অপরের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানে। আমরা যদি একটি সঠিক ব্যবসায়িক রোডম্যাপ তৈরি করতে পারি তাহলে অবশ্যই ব্যবসায় বাণিজ্য অগ্রগতি হবে। তবে এর জন্য জয়েন্ট ভেঞ্চার কোলাবরেশন বাড়াতে হবে।

গ্লোবাল ইকনমিক ট্রেন্ড দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে উল্লেখ করে মি. কামাল খান বলেন, আমাদের সামনে সুযোগ এসেছে বাণিজ্য বাড়ানোর। এসময় তিনি বাংলাদেশের ম্যানুফ্যাকচারিং, লেদার, ফুটওয়্যার, ফার্মাসিউটিক্যালস, গার্মেন্টস প্রভৃতি খাতের বাণিজ্য বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আমরা আগামী দু’বছরের জন্য একটি বাণিজ্য রোডম্যাপ তৈরি করবো। এর জন্য জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ কাজ করছে। তিনি বলেন, শুধু সরকারের সাথে সরকার নয়-দু’দেশের ব্যবসায়ীরা যেন পারস্পরিক সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে আমদানি-রপ্তানি করতে পারে সে বিষয়ে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। দু’দেশের এভিয়েশন অথরিটি আলাপ আলোচনার মাধ্যমে ঢাকা-করাচি সরাসরি বিমান চলাচল সুবিধা চালু করতে পারে বলে এসময় তিনি উল্লেখ করেন।

বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, আমরা বিক্রয় প্রবৃদ্ধি এবং প্রতিযোগিতা মূল্যে আমদানি করার লক্ষ্যে কাজ করছি। আমার পাকিস্তানী প্রতিপক্ষের সাথে অনেক সুন্দর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমদানি এবং রপ্তানি উভয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধি করাসহ যেসব খাতের কথা তিনি উল্লেখ করলেন এর বাইরেও নানা খাত নিয়ে আমরা কাজ করছি। তিনি বলেন, সকল ব্যবসায়ীর সামগ্রীক শক্তিতে ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি আরো উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।

পরে তাঁরা সীতাকুন্ডে কবির শীপ রি-সাইক্লিং ইয়ার্ড পরিদর্শন ও তাদের সাথে মত বিনিময় করেন।

Single Sidebar Banner
  • সর্বশেষ
  • পঠিত