বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
Single Top Banner

চাকসু নির্বাচনে ছাত্রদলের ৮ দফায় ৬৯ ইশতেহার ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক :

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) ও হল সংসদ আসন্ন নির্বাচনের জন্য ইশতেহার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল ‘সাজ্জাদ -শাফায়াত -তৌফিক পরিষদ’। তাদের ৮ দফা ইশতেহারে মোট ৬৯টি প্রতিশ্রুতি তুলে ধরে।

বুধবার (৮ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে তিনটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবী চত্বরে এক সংবাদ সম্মেলনে ইশতেহার পাঠ করেন প্যানেলের সহসভাপতি (ভিপি) পদ প্রার্থী সাজ্জাদ হোসেন হৃদয়।

তাদের ইসতিহার সমূহ:

১) শিক্ষা ও গবেষণাকে প্রাধান্য দিয়ে আধুনিক ও শিক্ষার্থীবান্ধব ক্যাম্পাস গড়ে তোলা:
প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য প্রথম বর্ষ থেকে “প্রাতিষ্ঠানিক ই-মেইল’ এর ব্যবস্থা করা এবং ভর্তি, বিভিন্ন ফি প্রদান, পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন, ক্লাস রুটিন ও ফলাফল জানা ইত্যাদি সহ সকল একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমসমূহ শিক্ষার্থীরা যেন সহজে সম্পাদন করতে পারে সেই লক্ষ্যে “অনলাইন স্টুডেন্ট পোর্টাল’ চালুর জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ।
শিক্ষার্থীদের জন্য MATLAB, SPSS, EndNote, Turnitin সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার এর প্রাপ্তি নিশ্চিত করা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিকে বিশ্বমানের লাইব্রেরি হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি বিভাগসমূহের সেমিনার লাইব্রেরি ও হলসমূহের রিডিং রুম আধুনিকীকরণ এবং সমৃদ্ধকরণ।
কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি রাত ১০টা পর্যন্ত চালু রাখার নিয়ম বাস্তবায়নে কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণ।
শিক্ষার্থীদের সুবিধা নিশ্চিতকরণে চট্টগ্রাম শহরের দুই নম্বর গেইটে একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি এক্সটেনশন স্থাপন।
প্রতিটি হলে রিডিং রুমের পাশাপাশি লাইব্রেরি স্থাপন এবং বাংলা ও ইংরেজি ভাষার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পত্রিকা রাখার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান রিসার্চ সেন্টার সমূহকে আধুনিকায়নের পাশাপাশি সেগুলো শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্তকরণের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ।
ওপেন ক্রেডিট, ক্রেডিট ট্রান্সফার সুবিধা প্রবর্তন সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ক্ষেত্রসমূহে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ।
সমগ্র ক্যাম্পাসে মোবাইল অপারেটর সমূহের টাওয়ারের সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য এবং প্রতিটি ডিপার্টমেন্ট, ক্লাসরুম ও হলে উচ্চগতির ওয়াই-ফাইয়ের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে উদ্যোগ গ্রহণ।
প্রশাসনিক জটিলতা নিরসনে “লাঞ্চের পরে আসেন’ সংস্কৃতি দূর করতে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ।
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য ভাতা ও হলে সিট সংরক্ষণ বাড়ানো, উপযুক্ত পরিমাণে শ্রুতিলেখকের ব্যবস্থা করা, তাঁদের কর্মসংস্থানের নিরাপদ ব্যবস্থা করা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে ব্রেইল হরফে ছাপানো বইয়ের সংখ্যা বৃদ্ধির ব্যবস্থা করতে ব্যবস্থা গ্রহণ।
নিয়মিত চাকসু নির্বাচন নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে একাডেমিক ক্যালেন্ডারে চাকসু নির্বাচনের তারিখ অন্তর্ভুক্তির ব্যবস্থা গ্রহণ।

২) মানসম্মত ও আবাসনের অধিকার নিশ্চিত করা:
ন্যায্যমূল্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল আবাসিক হল, ক্যান্টিন ও খাবার দোকানসমূহে স্বাস্থ্যসম্মত ও পুষ্টিকর খাবারের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল আবাসিক হলের ক্যান্টিন ও ক্যাফেটেরিয়ার খাবারের মান বৃদ্ধির জন্য ভর্তুকি বৃদ্ধি ও ব্যবস্থাপনার মানোন্নয়নে পদক্ষেপ গ্রহণ;
খাবার ও পানির মান নিয়মিতভাবে যাচাইয়ের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পরিবেশিত খাবারসমূহের স্বাস্থ্যগুণ ও পুষ্টিমান নিশ্চিত করা;
শিক্ষার্থীদের চাহিদা বিবেচনায় কটেজ সংলগ্ন এলাকায় খাবারের দোকান স্থাপনের জন্য কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ;
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে পূর্নাঙ্গ আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ, যেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য ভর্তির দিন থেকেই “একটি সিট ও একটি পড়ার টেবিল” নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।
অব্যবহৃত ভবনগুলোর নিরাপত্তা যাচাইপূর্বক সংস্কার করে শিক্ষার্থীদের জন্য সাময়িক আবাসনের ব্যবস্থা করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ।

৩) শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও আইন সহায়তা নিশ্চিত করা:
সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বের রাজনীতি থেকে ক্যাম্পাসকে মুক্ত করা; ভয়ের সংস্কৃতি দূর করে একটি গণতান্ত্রিক ও নিরাপদ ক্যাম্পাস বিনির্মাণ করা, যেখানে সকল মত ও পথের শিক্ষার্থীরা পারস্পরিক
সহাবস্থানের মাধ্যমে তাদের অধিকারসমূহের যথাযথ চর্চা ও প্রয়োগ করতে পারবে;
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে শিক্ষার্থীদের উপর সংঘটিত গুপ্ত হামলা সমূহের সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক রিপোর্ট প্রকাশ ও বিচার
নিশ্চিতকরণের জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, রাত্রিকালে নিরবিচ্ছিন্ন আলোর ব্যবস্থা করা ও শিক্ষার্থীদের যে কোন জরুরী সমস্যায় তাৎক্ষণিকভাবে সেবা প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে একটি ডেডিকেটেড হেল্পলাইন চালু করা।
ক্যাম্পাসে ও ক্যাম্পাসের বাইরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনি সহায়তা সেল গঠন এবং এই সেলের মাধ্যমে সাইবার বুলিং ও যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ।
বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ ধর্মচর্চার জন্য নিরাপদ ও সুষ্ঠু পরিবেশ এবং অবকাঠামো নিশ্চিতকরণ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে ‘চালন্দা গিরিপথ” হাইকিং রুটে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ।

৪) নারী শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ক্যাম্পাস ও নারী স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা:
নারী শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টিতে পোশাকের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা ও যৌন হয়রানি প্রতিরোধ করা;
নারী শিক্ষার্থীদের প্রতিটি আবাসিক হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তুকিতে স্যানিটারি প্যাড ভেন্ডিং মেশিন স্থাপন;
নারী শিক্ষার্থীদের সকল আবাসিক হলসমূহে সার্বক্ষণিক স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে আবাসিক মেডিকেল অফিসার ও সাইকোলজিক্যাল কাউন্সিলর নিয়োগের উদ্যোগ গ্রহণ;
বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে সার্বক্ষণিক নারী ডাক্তার ও নার্সের উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ সহ নারী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ মেডিকেল কর্নার স্থাপন;
ক্যাম্পাসের সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার সাপেক্ষে নারী শিক্ষার্থীদের আবাসিক হলগুলোতে প্রবেশের সময়সীমা বৃদ্ধিতে উদ্যোগ গ্রহণ;
নারী শিক্ষার্থীদের আবাসন ও অবকাঠামো উন্নয়নকল্পে ছাত্রীদের জন্য নিরাপদ কমনরুম, পাঠাগার ও সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করতে ব্যবস্থা গ্রহণ।
মেয়েদের হলগুলোর নিকটবর্তী স্থানে জরুরী প্রয়োজনীয় ঔষধের জন্য ফার্মেসি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি প্রাপ্তি নিশ্চিতের জন্য সুপারশপ স্থাপনের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ।
মেয়েদের হলগুলোর নিকটবর্তী স্থানে একটি আলাদা জিমনেসিয়াম ও ইনডোর গেমিং স্পেস নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ।
মসজিদগুলোতে নারী শিক্ষার্থীদের নামাজ আদায়ের জন্য আলাদা জায়গার ব্যবস্থা গ্রহণ।

৫) পরিবহন ব্যবস্থার মানোন্নয়ন ও সম্প্রসারণ
শাটল ট্রেনে ফ্যান, লাইট, বগি ও ট্রিপের সংখ্যা বাড়ানো এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বগি সংযোজনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ।
শাটল ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ প্রতিরোধে বিশেষ ব্যবস্থা প্রবর্তন। শাটল ট্রেনের দ্বিমুখী চলাচল নিশ্চিত করতে ডাবল লাইন স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ।
বিশ্ববিদ্যালয়গামী বাস সার্ভিসকে আরামদায়ক ও আধুনিক করা এবং ভাড়া নিয়ে শিক্ষার্থীদের হয়রানি বন্ধ করতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশের উপজেলা থেকে বিশেষ বাস সার্ভিস পরিচালনার উদ্যোগ গ্রহণ।
ক্যাম্পাসে চক্রাকার বাস সার্ভিস চালু, ই-কারের সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ।
জীববিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে সুনির্দিষ্ট সময়সূচি অনুসারে শাটল সার্ভিস চালুর উদ্যোগ গ্রহণ।
ক্যাম্পাসে অবস্থানরত চাকুরিপ্রার্থীদের বিসিএস সহ গুরুত্বপূর্ণ চাকুরির পরীক্ষার দিন তাঁদের যাতায়াতের সুবিধার্থে শাটল ট্রেনের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক বিশেষ বাস সার্ভিস নিয়মিতভাবে চালু রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ। শাটল ট্রেন, বাস ও ই-কার সহ সকল পরিবহন ট্র্যাকিংয়ের জন্য একটি অ্যাপ ডেভেলপ করা।

৬) মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করা:
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে নিকটতম হাসপাতালের দূরত্ব বিবেচনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারটিকে ১০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে রূপান্তরের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ।

সার্বক্ষণিক ডাক্তার ও অ্যাম্বুলেন্সের প্রাপ্তি নিশ্চিত করা ও শিক্ষার্থীদের জন্য জরুরী ঔষধসমূহ বিনামূল্যে প্রদানের ব্যবস্থা করা;
মেডিকেল সেন্টারে একটি ব্লাড ব্যাংক স্থাপন।
শিক্ষার্থীদের জন্য প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকল্পে প্রতিটি আবাসিক হলগুলোতে জরুরী ঔষধ ও ফার্স্ট এইড বক্স সহ মেডিকেল কর্নার স্থাপন;
শিক্ষার্থীদের চাহিদা বিবেচনায় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ফার্মেসি স্থাপনের মাধ্যমে ২৪/৭ শিক্ষার্থীদের জন্য ঔষধ প্রাপ্তি নিশ্চিতকরণ;
বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীকে স্বাস্থ্য বীমা সেবার আওতায় নিয়ে আসা এবং বীমার টাকা দাবি ও প্রাপ্তির প্রক্রিয়াকে সহজ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ;
শিক্ষার্থীদের মেন্টাল স্ট্রেস, ডিপ্রেশন ও ট্রমা মোকাবিলার মাধ্যমে তাদের মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে একটি “মেন্টাল ওয়েলবিয়িং সেন্টার” গড়ে তোলা।
ক্যাম্পাসের ওয়াশরুমগুলোর প্রয়োজনীয় সংস্কার এবং সেগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণ হ্যান্ডওয়াশ, সাবান এবং পানির ব্যবস্থা করার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ।
“জিরো প্লাস্টিক” নীতি অবলম্বন করে ক্যাম্পাসের পরিবেশ রক্ষায় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ।

৭) সাহিত্য, সংস্কৃতি, ক্রীড়া ও বিনোদনমূলক কার্যক্রম সমৃদ্ধি করন :
একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ, চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান ও সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনের আদর্শকে ধারণ করে ক্যাম্পাসে সাংস্কৃতিক কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়া;
বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান, একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন, চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান সহ বাংলাদেশের সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রকৃত ইতিহাস এবং এ সকল আন্দোলন-সংগ্রামে বাংলাদেশের সকল স্তরের গণ-মানুষের অবদান জানতে একটি গবেষণা কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ,
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সফলভাবে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে বৈচিত্র্যময় ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষাঙ্গন হিসেবে গড়ে তুলতে বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি চর্চা উৎসাহিত করা,
আন্তঃবিভাগ এবং আন্তঃহল ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের বাৎসরিক ক্যালেন্ডার প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ;
একটি আধুনিক সুইমিংপুল নির্মাণের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ;
বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জিমনেশিয়ামের আধুনিকায়ন এবং খেলার মাঠ ও ইনডোর গেমিং ফ্যাসিলিটি সংস্কারের মাধ্যমে খেলাধুলার জন্য উপযোগী করে তুলতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ;

৮) ক্যারিয়ার গঠনে দক্ষতা বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি :
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়া, জিমনেসিয়াম, রেজিস্টার বিল্ডিং, লাইব্রেরি, বিভিন্ন গবেষণা প্রকল্প, টিউটোরিয়াল সাপোর্ট ইত্যাদিতে শিক্ষার্থীদের ঘন্টা-ভিত্তিক অন-ক্যাম্পাস কাজের সুযোগ সৃষ্টি করা;
শিক্ষার্থীদের অর্থনৈতিক সমস্যা নিরসনে কর্পোরেট-একাডেমিয়া পার্টনারশিপের মাধ্যমে খন্ডকালীন চাকরির সুযোগ সৃষ্টি করা,
সরকারি-বেসরকারী ব্যাংক ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের সাথে শিক্ষার্থী-বিশ্ববিদ্যালয়-আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ত্রিপক্ষীয়
চুক্তির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা ঋণ চালুর উদ্যোগ গ্রহণ;
বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের মাধ্যমে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তির ব্যবস্থা করা।
শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্যারিয়ার সচেতনতা বৃদ্ধি ও তাদের ক্যারিয়ার বিষয়ক সংশয় দূর করতে দেশবরেণ্য সফল পেশাজীবি ও উদ্যোক্তাদেরকে আমন্ত্রণ করে ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট শীর্ষক বিভিন্ন সেমিনারের আয়োজন করা; বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিত জব ফেয়ার ও অন-ক্যাম্পাস রিক্রুটমেন্ট আয়োজন করা; শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে স্টার্টআপ ক্যাপিটাল ও মেন্টরশীপ সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা করা।

প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার বিষয়ক বিশেষ সেমিনার, কম্পিউটার বেসিক কোর্স, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, প্রেজেন্টেশন ও ইংরেজি বিষয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান।

বাংলা এবং ইংরেজির বাইরেও আরো কয়েকটি ভাষায় দক্ষতা সৃষ্টির জন্য ল্যাংগুয়েজ ক্লাব প্রতিষ্ঠা করা।
নিয়মিতভাবে ডিবেটিং কম্পিটিশন, পলিসি কম্পিটিশন, আইডিয়া জেনারেটিং কম্পিটিশন, গণিত অলিম্পিয়াড, রোবোটিক অলিম্পিয়াডসহ বিজ্ঞানভিত্তিক এবং অন্যান্য বিভাগের বিষয়ভিত্তিক প্রতিযোগিতা আয়োজন

Single Sidebar Banner
  • সর্বশেষ
  • পঠিত