বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
Single Top Banner

চাকসুর নতুন ভিপি-জিএস শিবিরের, এজিএস ছাত্রদলের

নিজস্ব প্রতিবেদক :

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনে সহসভাপতি (ভিপি) ও সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে জয় পেয়েছেন ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘সম্প্রীতির শিক্ষার্থী জোট’ প্যানেলের প্রার্থীরা। অন্যদিকে সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে বিজয়ী হয়েছেন ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থী।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) ভোররাত ৪টার দিকে ১৪টি হল ও একটি হোস্টেলের অনানুষ্ঠানিক ফলাফল থেকে এই তথ্য পাওয়া যায়। নির্বাচনে ‘সম্প্রীতির শিক্ষার্থী জোট’-এর ভিপি পদে ইব্রাহিম হোসেন রনি এবং জিএস পদে সাঈদ বিন হাবিব জয়লাভ করেছেন। অপরদিকে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থী আইয়ুবুর রহমান তৌফিক এজিএস পদে নির্বাচিত হয়েছেন।

অনানুষ্ঠানিক ফলাফল অনুযায়ী, ভিপি পদে ইব্রাহিম হোসেন রনি ৭ হাজার ২২১টি ভোট, জিএস পদে সাঈদ বিন হাবিব ৭ হাজার ২৯৫টি ভোট এবং এজিএস পদে আইয়ুবুর রহমান তৌফিক ৬ হাজার ৪৪১টি ভোট পেয়েছেন।

বুধবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে। চাকসুর ২৬টি পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ৪১৫ জন প্রার্থী, আর হল ও হোস্টেল সংসদের ২৪টি পদের জন্য লড়েন ৪৯৩ জন প্রার্থী।

দিনভর শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হলেও ফলাফল ঘোষণার আগমুহূর্তে কিছু এলাকায় উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। বুধবার (১৫ অক্টোবর) রাত একটার পর দুই হলের ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিনকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে রাত সাড়ে ৩টার দিকে তিনি মুক্ত হন।

এর আগে দিনভর ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হলেও রাত গভীর হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নম্বর গেটের বাইরে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের সমর্থকরা অবস্থান নেন। ছাত্রদলের পক্ষে বিএনপি এবং ছাত্রশিবিরের পক্ষে জামায়াতের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। তবে উভয় পক্ষই শান্তিপূর্ণভাবে রাস্তার পাশে অবস্থান করলেও কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। রাত একটা পর্যন্ত উভয় পক্ষের অবস্থান লক্ষ্য করা গেছে।

এমন পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা জোরদারে রাতেই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিজিবি মোতায়েন করা হয়।

Single Sidebar Banner
  • সর্বশেষ
  • পঠিত