র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৭) মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ২৮ কেজি গাঁজাসহ পাঁচজন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে। সোমবার (১০ নভেম্বর) রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ থানাধীন বারইয়ারহাট পৌরসভার খানসিটি সেন্টারের সামনে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে তাদের আটক করা হয়। এসময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাসও জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— লক্ষ্মীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ থানার বসুদুহিতা এলাকার আব্দুল খালেকের ছেলে মাইক্রোবাস চালক ইয়াছিন আরাফাত (২৬), বেলাল হোসেনের ছেলে মো. মিঠু (২৮), কৃষ্ণপুর এলাকার মো. জয়নাল আবেদীনের ছেলে মো. জসিম উদ্দিন (৩৯), লতিবপুর এলাকার মো. ইসমাইল হোসেনের ছেলে মো. রাজিব (২৭) এবং দেওপাড়া এলাকার মো. অজিউল্লাহর ছেলে মো. শুভ (২৪)।
র্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়— কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে একটি মাইক্রোবাসে করে ৫ জন মাদক কারবারি কক্সবাজারে গাঁজা পাচার করছে। ওই তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব-৭ এর চট্টগ্রাম আভিযানিক দল বারইয়ারহাটে চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহন তল্লাশি চালায়। এসময় সন্দেহজনক একটি মাইক্রোবাস থামানোর সংকেত দিলে, গাড়িতে থাকা ব্যক্তিরা পালানোর চেষ্টা করে। পরে র্যাব সদস্যরা তাদের আটক করে।
তিনি আরও জানান, মাইক্রোবাসের পিছনের অংশে বিশেষভাবে লুকানো দুটি সাদা প্লাস্টিকের বস্তা থেকে ২৮ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা গাঁজার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা। মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত মাইক্রোবাসটিও জব্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দিয়ে জোরারগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এম. আবদুল হালিম বলেন, “র্যাব-৭ মঙ্গলবার সকালে ৫ আসামিকে থানায় হস্তান্তর করেছে। একই দিন দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।”


