পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। পাইকারি পর্যায়ে ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে।
বুধবার (৩ জুন) রাজধানীর রমনায় ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনের ষষ্ঠ তলায় কমিশন কার্যালয়ের শুনানি কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বিইআরসি।
নতুন মূল্য গত ১ জুন থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।
ঘোষণা অনুযায়ী, লাইফ লাইনের গ্রাহক অর্থাৎ ৫০ ইউনিট পর্যন্ত যারা বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন তাদের ইউনিটপ্রতি ৪ টাকা ৬৩ পয়সা থেকে ৬৯ পয়সা বাড়িয়ে ৫ টাকা ৩২ পয়সা, শূন্য থেকে ৭৫ ইউনিট ব্যবহারকারীর বিদ্যুতের দাম ৫ টাকা ২৬ পয়সা থেকে ৯২ পয়সা বাড়িয়ে ৬ টাকা ১৮ পয়সা এবং ৭৬ থেকে ২০০ ইউনিট ব্যবহারকারীদের ৭ টাকা ২০ পয়সা থেকে ১টাকা ৩০ পয়সা বাড়িয়ে ৮টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
২০১ থেকে ৩০০ ইউনিট ৭ টাকা ৫৯ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫১ পয়সা বাড়িয়ে ৯টাকা ১০ পয়সা৷ ৩০১ থেকে ৪০০ ইউনিট ৮টাকা ০২পয়সা ১ টাকা ৬০ পয়সা বাড়িয়ে ৯ টাকা ৬২ পয়সা। ৪০১ থেকে ৬০০ ইউনিট ১২ টাকা ৬৭ টাকা থেকে ২ টাকা ৩৪ পয়সা বাড়িয়ে ১৫ টাকা ০১ পয়সা এবং ৬০০ ইউনিটের ওপরে ১৪ টাকা ৬১ থেকে ২ টাকা টাকা ৭৪ পয়সা বাড়িয়ে ১৭ টাকা ৩৫ পয়সা নির্ধারণ করা করা হয়েছে৷
এদিকে, কৃষি সেচে ইউনিট প্রতি ৫ টাকা ২৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৬ টাকা ০৪ পয়সা করা হয়েছে।
শিক্ষা, ধর্মীয়, হাসপাতাল ও দাতব্য প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ৭ টাকা ৫৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৯টাকা ০৫ পয়সা করা হয়েছে।
রাস্তার বাতি ও পানির পাম্পের ক্ষেত্রে ৯ টাকা ৭১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১১টাকা ৪৬ পয়সা করা হয়েছে।
ক্ষুদ্রশিল্পের ক্ষেত্রে ১১ টাকা ৭৬ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১২টাকা ৭৩ পয়সা করা হয়েছে।
নির্মাণশিল্পে ১৫ টাকা ১৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১৮টাকা ০৯ পয়সা করা হয়েছে।
ইলেকট্রিক ভেহিকেল ও ব্যাটারিচার্জিং স্টেশনে ৯ টাকা ৬২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১১টাকা ৩৬ পয়সা করা হয়েছে।
বাণিজ্যিক ও অফিসে ১৩ টাকা ০১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১৫টাকা ৩৬ পয়সা করা হয়েছে।্ইউনিট বিদ্যুতের দাম
পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। পাইকারি পর্যায়ে ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে।
বুধবার (৩ জুন) রাজধানীর রমনায় ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনের ষষ্ঠ তলায় কমিশন কার্যালয়ের শুনানি কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বিইআরসি।
নতুন মূল্য গত ১ জুন থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।
ঘোষণা অনুযায়ী, লাইফ লাইনের গ্রাহক অর্থাৎ ৫০ ইউনিট পর্যন্ত যারা বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন তাদের ইউনিটপ্রতি ৪ টাকা ৬৩ পয়সা থেকে ৬৯ পয়সা বাড়িয়ে ৫ টাকা ৩২ পয়সা, শূন্য থেকে ৭৫ ইউনিট ব্যবহারকারীর বিদ্যুতের দাম ৫ টাকা ২৬ পয়সা থেকে ৯২ পয়সা বাড়িয়ে ৬ টাকা ১৮ পয়সা এবং ৭৬ থেকে ২০০ ইউনিট ব্যবহারকারীদের ৭ টাকা ২০ পয়সা থেকে ১টাকা ৩০ পয়সা বাড়িয়ে ৮টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
২০১ থেকে ৩০০ ইউনিট ৭ টাকা ৫৯ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫১ পয়সা বাড়িয়ে ৯টাকা ১০ পয়সা৷ ৩০১ থেকে ৪০০ ইউনিট ৮টাকা ০২পয়সা ১ টাকা ৬০ পয়সা বাড়িয়ে ৯ টাকা ৬২ পয়সা। ৪০১ থেকে ৬০০ ইউনিট ১২ টাকা ৬৭ টাকা থেকে ২ টাকা ৩৪ পয়সা বাড়িয়ে ১৫ টাকা ০১ পয়সা এবং ৬০০ ইউনিটের ওপরে ১৪ টাকা ৬১ থেকে ২ টাকা টাকা ৭৪ পয়সা বাড়িয়ে ১৭ টাকা ৩৫ পয়সা নির্ধারণ করা করা হয়েছে৷
এদিকে, কৃষি সেচে ইউনিট প্রতি ৫ টাকা ২৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৬ টাকা ০৪ পয়সা করা হয়েছে।
শিক্ষা, ধর্মীয়, হাসপাতাল ও দাতব্য প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ৭ টাকা ৫৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৯টাকা ০৫ পয়সা করা হয়েছে।
রাস্তার বাতি ও পানির পাম্পের ক্ষেত্রে ৯ টাকা ৭১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১১টাকা ৪৬ পয়সা করা হয়েছে।
ক্ষুদ্রশিল্পের ক্ষেত্রে ১১ টাকা ৭৬ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১২টাকা ৭৩ পয়সা করা হয়েছে।
নির্মাণশিল্পে ১৫ টাকা ১৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১৮টাকা ০৯ পয়সা করা হয়েছে।
ইলেকট্রিক ভেহিকেল ও ব্যাটারিচার্জিং স্টেশনে ৯ টাকা ৬২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১১টাকা ৩৬ পয়সা করা হয়েছে।
বাণিজ্যিক ও অফিসে ১৩ টাকা ০১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১৫টাকা ৩৬ পয়সা করা হয়েছে।


