বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
Single Top Banner

নির্বাচনে সাংবিধানিক শূন্যতার আশঙ্কা, আওয়ামী লীগের বিচার দাবি সালাহউদ্দিন আহমেদের

নিজস্ব প্রতিবেদক :

“তাহলে এদেশে নির্বাচনের কী হবে? তাদের এই দাবির পিছনে উদ্দেশ্য ভিন্ন হতে পারে। নিজেদের অতিরিক্ত সুবিধার জন্য হয়তোবা তারা আরও অনেক রাজনৈতিক দলের নিষিদ্ধ কামনা করতে পারে।” — মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।

মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এখানে বিষয়টা সম্পূর্ণ আলাদা। তারা গণহত্যার জন্য দায়ী, মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য দায়ী, রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংস করার জন্য দায়ী। সেই ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে, সেই সরকারের প্রধানমন্ত্রীসহ অন্য মন্ত্রী, এমপি এবং দোসরদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মামলা চলছে।”

সালাহউদ্দিন আহমেদ আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, দেশে যদি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠিত না হয় এবং গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার না আসে, তাহলে একটি সাংবিধানিক শূন্যতা সৃষ্টি হতে পারে। সেই শূন্যতার মধ্যে জাতীয় ঐক্য বিনষ্ট হলে পতিত ফ্যাসিবাদ সুযোগ নেবে। আর সেই সুযোগে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শক্তিগুলোও এখানে প্রভাব বিস্তারে জড়িত হতে পারে।

তিনি বলেন, “এই আশঙ্কাগুলো প্রকাশ করেই বলেছি, যদি আমরা জাতীয় নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নির্দিষ্ট সময়ে স্থিতিশীল রাজনৈতিক সরকার প্রতিষ্ঠা করতে না পারি, তাহলে এই আশঙ্কাগুলো একদম উড়িয়ে দেওয়া যায় না। শুধু জাতীয় নিরাপত্তা হুমকির মধ্যে পড়বে তা নয়, আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয়ও জড়িত হয়ে যেতে পারে।”

বিএনপির এ জ্যেষ্ঠ নেতা আরও বলেন, আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে, আরও হবে। বিচার প্রক্রিয়া চলছে। রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচারের দাবিই আমরা সর্বপ্রথম তুলেছিলাম। গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য তাদের বিচার হতে হবে। তারা এ দেশে রাজনীতি করতে পারবে কি না, নির্বাচন করতে পারবে কি না—সেটা আদালত নির্ধারণ করবে।

তিনি যোগ করেন, “সেই প্রক্রিয়ায় যদি আরও কোনো রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকে, সেটাও আদালতে উত্থাপন করা যেতে পারে। আইন আগে ছিল না, এখন তো সংশোধিত হয়েছে। এটা আমাদের বর্তমান অবস্থান নয়, আগের অবস্থানও তাই ছিল।”

Single Sidebar Banner
  • সর্বশেষ
  • পঠিত