কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দলের আচমকা উপস্থিতির সংবাদে দিনভর তটস্থ ছিল উপজেলার সরকারি বিভিন্ন দপ্তর। অনিয়মের আখড়া এসব দপ্তরের কর্তা-কর্মচারীদের দিনভর নথিপত্র নিয়ে ছুটাছুটি ছিল চোখে পড়ারমত।
মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দুদক দল প্রথমে হানা দেয় ঈদগাঁও উপজেলা নির্বাচন অফিসে। সেখানে রোহিঙ্গা নাগরিকদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তি ও পাসপোর্ট ইস্যু সংক্রান্ত অভিযোগ তদন্তে প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহ করেন।
পরে বিকেলে ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদে পৌঁছে প্রকল্প সংক্রান্ত নথিপত্র যাচাই করে পরে সরেজমিনে অভিযোগ উঠা বিভিন্ন স্থাপনা ও প্রকল্পের কাজ সরেজমিনে তদন্ত করেন।
এসময় দুদক দলের কক্সবাজারের সহকারী পরিচালক সাখাওয়াত হোসেনের নেতৃত্বে দলটি ইউনিয়নের নতুন অফিস, কৈলাসের ঘোনা ও বাঁশকাটা এলাকায় সাবেক চেয়ারম্যান ( ভারপ্রাপ্ত) নুরুল আলমের কার্যকালে বাস্তবায়িত দুইটি ড্রেন ও একটি সড়ক পরিদর্শন করেন।
তদন্ত শেষে দুদকের সহকারী পরিচালক সাখাওয়াত হোসেন সাংবাদিকদের জানান,দুদক সবসময় অভিযোগের ভিত্তিতে নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনা করে। এই অভিযানও প্রকল্পগুলোর নথিপত্রের সাথে সম্পন্নকৃত প্রকল্পের বাস্তবতা যাচাই করা । অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনি প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তদন্তকালে উপস্থিত ছিলেন ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন,সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম , সাবেক চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) নুরুল আলম ও প্যানেল চেয়ারম্যান সালাহ উদ্দিন বাবুল।


