বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
Single Top Banner

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষে দেড় শতাধিক আহত, ১৪৪ ধারা জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক :

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে দ্বিতীয় দফায় সংঘর্ষের পর পুরো ক্যাম্পাসজুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। গত দুই দিনের ঘটনায় আহত শিক্ষার্থীর সংখ্যা দেড় শতাধিক ছাড়িয়েছে বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টারের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

রোববার (৩১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২নং গেট সংলগ্ন এলাকায় নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষ চলে থেমে থেমে বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত। বর্তমানে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসলেও পুরো ক্যাম্পাসে মোতায়েন রয়েছে সেনা সদস্য ও বিপুলসংখ্যক পুলিশ।

আজকের সংঘর্ষে অন্তত শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়ে চবি মেডিক্যাল সেন্টারে চিকিৎসা নিয়েছেন। আহতদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ও প্রক্টরও রয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, গত দুই দিনে সংঘর্ষে আহতের সংখ্যা দেড় শতাধিক ছাড়িয়েছে।

চবি মেডিক্যাল সেন্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ডা. ফারহানা জানান,”আজ সকাল থেকে অন্তত শতাধিক শিক্ষার্থী চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে অন্তত ২৫ জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আমার কর্মজীবনে এত বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থীকে একসঙ্গে আহত হতে দেখিনি।”

সংঘর্ষে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন ফৌজদারী কার্যবিধির ১৮৯৮ এর ১৪৪ ধারা জারি করেছেন। রবিবার বিকেলে জারি করা অফিস আদেশে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২নং গেট বাজারের পূর্ব সীমা থেকে রেলগেট পর্যন্ত উভয় পাশে ৩১ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে ১ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা পর্যন্ত সকল প্রকার সভা-সমাবেশ, বিক্ষোভ, মিছিল, গণজমায়েত, বিস্ফোরক দ্রব্য, আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র বহন এবং পাঁচজনের বেশি মানুষের একত্রে চলাফেরা নিষিদ্ধ থাকবে।

এর আগে শনিবার (৩০ আগস্ট) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষার্থীকে বাসার দারোয়ান কর্তৃক মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। ওই রাতে দীর্ঘ সময় ধরে সংঘর্ষ চলে এবং বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন। পরদিন সকালে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং দ্বিতীয় দফায় আরও বড় আকারে সংঘর্ষ ঘটে।

Single Sidebar Banner
  • সর্বশেষ
  • পঠিত