আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে সরকার। প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, পৃথিবীর কোনো শক্তিই এ ভোট ঠেকাতে পারবে না—এমন প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের কাছে বিষয়টি তুলে ধরেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
তিনি বলেন, আসন্ন নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে দেশব্যাপী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্থানীয় প্রশাসনকে সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
ডাকসু নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রেস সচিব জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভোট যেন শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে হয় সেজন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
শফিকুল আলম আরও বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতিতে সরকার সর্বাত্মক কাজ করছে। ৫ আগস্টের পর থেকে ১ হাজার ৬১৫টি ঘটনা ঘটেছে, গড়ে প্রতিদিন চারটি করে। এর মধ্যে ৬০০টির বেশি ছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়সংক্রান্ত। বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে স্বাভাবিকভাবেই বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে বিক্ষোভ হচ্ছে। আগের সরকার গত ১৫ বছর এসব দমন করেছে, কিন্তু বর্তমান সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি সামলাচ্ছে।”


