শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা নিয়োগের উদ্দেশ্যে শুক্রবার (১০ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হয়েছে ৪৯তম বিশেষ বিসিএসের লিখিত (এমসিকিউ টাইপ) পরীক্ষা। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কেবল ঢাকা মহানগর এলাকার বিভিন্ন কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন মোট ৩ লাখ ৭৪ হাজার ৭৫২ জন প্রার্থী।
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সূত্রে জানা গেছে, পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে আগামী ৭ থেকে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে। এরপর ২৬ অক্টোবর থেকে শুরু হবে ভাইভা বা মৌখিক পরীক্ষা।
পিএসসির এক সদস্য গণমাধ্যমকে বলেন, “চিকিৎসক নিয়োগের ৪৮তম বিশেষ বিসিএসের ফল মাত্র তিন দিনের মধ্যেই প্রকাশ করা সম্ভব হয়েছিল, কারণ সেখানে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল তুলনামূলকভাবে কম। কিন্তু এবারের ৪৯তম বিশেষ বিসিএসে প্রার্থীর সংখ্যা অনেক বেশি। তাই ফল প্রস্তুতে কিছুটা সময় লাগবে, তবে ৭ থেকে ১০ কার্যদিবসের মধ্যেই ফল প্রকাশের চেষ্টা চলছে।”
তিনি আরও জানান, “মৌখিক পরীক্ষা চলতি মাসের মধ্যেই শুরু হবে। নভেম্বরের মধ্যে মৌখিক পরীক্ষা শেষ করে ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে চূড়ান্ত ফলাফল বা নিয়োগের সুপারিশ প্রকাশ করা হতে পারে। তবে প্রস্তুতির কাজ দ্রুত শেষ হলে নভেম্বরের শেষ সপ্তাহেও ফল প্রকাশ সম্ভব।”
পিএসসির নির্ধারিত রোডম্যাপ অনুযায়ী, লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর ২৬ অক্টোবর থেকে মৌখিক পরীক্ষা শুরু হবে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরাই এই পর্বে অংশ নিতে পারবেন।
৪৯তম বিশেষ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এ পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষা ক্যাডারে মোট ৬৮৩ জন প্রভাষক নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে সরকারি সাধারণ কলেজে ৬৫৩টি এবং সরকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজে ৩০টি শূন্য পদ পূরণ করা হবে।
পিএসসি কর্মকর্তারা জানান, ফল প্রকাশ ও পরবর্তী প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে, যাতে নতুন প্রভাষকদের জানুয়ারির নতুন শিক্ষাবর্ষের আগেই বিভিন্ন কলেজে পদায়ন করা যায়।
শিক্ষা ক্যাডারে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে দেশের সরকারি কলেজগুলোতে শিক্ষক সংকট অনেকটা নিরসন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


