বাঁশখালী প্রতিনিধি :
দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র সভাপতি ও চট্টগ্রাম বাঁশখালী-১৬ আসন থেকে চার বারের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব জাফর ইসলাম চৌধুরী আর নেই।
নগরীর এভারকেয়ার হাসপাতলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) দুপুর আড়াইটায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুতে বিভিন্ন মহল শোক প্রকাশ করেছে।
মরহুম আলহাজ্ব জাফরুল ইসলাম চৌধুরীর প্রথম জানাজা কাল বুধবার সকাল ১০ টায় জামিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদ ময়দানে, দ্বিতীয় জানাজা দূপুর ২ টায় বাঁশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের এবং তৃতীয় জানাজা বিকেল ৩টায় বাঁশখালী গুনাগরি’র বাঁশখালী ডিগ্রী কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে উনাকে বাঁশখালী’র নিজ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানাই, তিনি দীর্ঘদিন যাবত বিএনপি রাজনীতির সাথে সংশ্লিষ্ট ছিলেন, তিনি বাঁশখালীর গণমানুষের নেতা ছিলেন, তিনি দীর্ঘদিন যাবত বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। আজ আমাদের পরিবারসহ হাজার হাজার নেতাকর্মীরা অভিভাবক হারা হয়ে গেলেন।
বাঁশখালী পৌরসভার সাবেক মেয়র আলহাজ্ব কামরুল ইসলাম হোসাইনী, বাঁশখালী বিএনপি’র সভাপতি ও সাবেক বৈলছড়ি ইউপি চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খলিল, গন্ডামারা ইউপি চেয়ারম্যান লেয়াকত আলী, পৌরসভা বিএনপির সভাপতি রাসেল ইকবাল সহ বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ছাত্রদলের অনেক নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে শোক প্রকাশ করেছেন।
মৃত্যুকালে তার দুই ছেলে ও দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
বাঁশখালী পৌরসভার সাবেক মেয়র কামরুল ইসলাম হোসাইনী মুঠোফোনে বলেন,
জাফরুল ইসলাম চৌধুরী ১৯৫০ সালের ১৪ অক্টোবর চট্টগ্রামের বাশঁখালী উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৯৬-৯৭ সালে চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (সিসিসিআই) সভাপতি ছিলেন। বিএনপি সরকারের আমলে তিনি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
২০০৮ সালে তিনি চট্টগ্রাম-১৫ আসনে বিএনপি থেকে মনোনীত হয়েছিলেন। ২০০৯ সালের জুনে তিনি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হন। ২০১০ সালে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয় সংসদীয় ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একমাত্র সংসদ সদস্য ছিলেন।


