বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
Single Top Banner

আবদুল্লাহ আল নোমান চট্টগ্রামের উন্নয়নে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক : 

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, চট্টগ্রাম তথা দেশের রাজনৈতিক, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে প্রয়াত জননেতা আব্দুল্লাহ আল নোমান যে অবদান রেখেছেন, তা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। আবদুল্লাহ আল নোমান চট্টগ্রামের উন্নয়নের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

উপদেষ্টা আজ শনিবার (২৬ জুলাই) চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিভাসু) অডিটোরিয়ামে মরহুম জননেতা আবদুল্লাহ আল নোমান – এর স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, আব্দুল্লাহ আল নোমান একজন প্রগতিশীল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি দুই মিয়াদে মন্ত্রী থাকাকালীন অত্যন্ত নির্মোহভাবে, সততা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। তার চিন্তা চেতনা মননে যেমন প্রগতিশীলতা স্থান পেয়েছে, তেমনি তিনি একজন ধর্মভীরু মানুষ ছিলেন। তার মতো সৎ নিষ্ঠাবান দেশপ্রেমিক নেতৃত্ব দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে বসা দরকার। জাতীয়তাবাদের ধারক বাহক এই নেতা আমৃত্যু নিজ এলাকাবাসীর কাছে একজন মহান দরদী নেতা হিসাবে মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন।

উপদেষ্টা আরো বলেন, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামে থাকত না, যদি তিনি সময়মতো দৃঢ় অবস্থান না নিতেন। পাথরঘাটা মহিলা কলেজ, এনায়েত বাজার মহিলা কলেজ, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড, জেনারেল হাসপাতাল, কর্ণফুলী সেতু সবখানেই তাঁর অসামান্য অবদান রয়েছে। সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন থেকে শুরু করে আধুনিক চট্টগ্রাম গঠনে যাঁর অবদান অনস্বীকার্য, সেই আব্দুল্লাহ আল নোমানের নাম ইতিহাসে সোনার অক্ষরে লেখা থাকবে।

সিভাসুর উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ লৎফর রহমানের সভাপতিত্বে সিভাসুর পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রাশেদুল আলম, চট্টগ্রাম দৈনিক পূর্বকোনের নগর সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা নওশের আলী খান,চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সদস্য সচিব জাহিদুল করিম কচি,সিভাসুর প্রফেসর ড. পরিতোষ কুমার বিশ্বাস, সিভাসুর পরিচালক ( বহিরাঙ্গন কার্যক্রম) প্রফেসর ড. এ কে এম সাইফুদ্দিন, চট্টগ্রাম ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. সিকান্দার খান, ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন, মরহুম আবদুল্লাহ আল নোমানের সুযোগ্য পুত্র চট্টগ্রাম ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির চেয়ারম্যান সাঈদ আল নোমান, আব্দুল্লাহ আল নোমানের সুযোগ্য কন্যা তাজীন নোমান নুমা বিশেষ অতিথির বক্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে সিভাসুর প্রক্টর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান স্বাগত বক্তব্য রাখেন এবং সিভাসুর পরিচালক (ওয়ান হেলথ ইনস্টিটিউট) প্রফেসর ড. মো. আহসানুল হক সিভাসুর গল্প এবং জননেতা নোমান সাহেবের অবদান শীর্ষক উপস্থাপন করেন।

সভায় সরকারি কর্মকর্তা ও শিক্ষক–শিক্ষার্থী এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Single Sidebar Banner
  • সর্বশেষ
  • পঠিত