স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, পার্শ্ববর্তী একটি দেশের সহযোগিতায় আমাদের দেশের কিছু সন্ত্রাসী দুর্গাপূজা উপলক্ষে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করেছিল। খাগড়াছড়িতে যে বিক্ষোভ ও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, তার নেপথ্যে ছিল হিন্দু সম্প্রদায়ের দুর্গাপূজা এবং বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের উৎসব বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা।
বুধবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখানের ইছাপুরা এলাকায় শ্রী শ্রী সার্বজনীন পূজা মন্দিরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “প্রথম দিকে ধর্ষণের ঘটনা দেখিয়ে পূজাকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে দুষ্কৃতকারীরা সফল হতে পারেনি। তারা বারবার চেষ্টা করেছে, কিন্তু জনগণের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের কারণে ব্যর্থ হয়েছে।”
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, “বাংলাদেশে প্রতিবছরই হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা পালন করে থাকে। এবারও সারাদেশে সকলের সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে পূজা উদযাপিত হচ্ছে। সেই উৎসবমুখর পরিবেশকে বিনষ্ট করার লক্ষ্য নিয়ে একটি কুচক্রী মহল নানা অপতৎপরতা চালিয়েছে, তবে তারা সফল হয়নি।”
তিনি জানান, দুর্গাপূজার নিরাপত্তার জন্য সব পর্যায়ের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন ছিল। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পূজা অনুষ্ঠিত হওয়ায় তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।
পরে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিরাজদীখান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিনা আক্তার, সিরাজদীখান সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. ইব্রাহিম, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তৌহিদুল ইসলাম বারি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরহাদ হোসেন, সিরাজদীখান থানার ওসি মো. আবু বকর সিদ্দিক, পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত মো. হাবিবুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কুদ্দুস ধীরন, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মো. শাহ আলম, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি তপন কুমার দাস, সাধারণ সম্পাদক জ্ঞানদীপ কুমার ঘোষ, ইছাপুরা সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরের সভাপতি বাদল চন্দ্র পাল ও সাধারণ সম্পাদক পরিতোষ চন্দ্র দাস প্রমুখ।


